✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৪, | ১৭:৫৪:৪৭ |দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। দলের সীমাবদ্ধতা ও উন্নতির জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করতে চান পাকিস্তানের সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন।
সম্প্রতি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট থেকেই বিদায় নিতে হয় পাকিস্তানকে। পাকিস্তানের কোচ হিসেবে সেটিই ছিল হেসনের প্রথম বড় টুর্নামেন্ট। এরপর দলটি এখন মনোযোগ দিচ্ছে ওয়ানডে ফরম্যাটে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান খেলেছে মাত্র একটি সিরিজ, গত মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ৩১ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এরপর চলতি বছরে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ ছাড়া ওয়ানডেতে খুব বেশি ম্যাচ নেই পাকিস্তানের সূচিতে। তবু অল্প ম্যাচ খেলেই দলের দুর্বলতাগুলো স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন হেসন।
বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে উইকেট নেওয়ার সক্ষমতাকে বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখছেন পাকিস্তান কোচ। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক পডকাস্টে মাইক হেসন বলেন, ‘দেখুন, গত ১২ মাসে আমরা ওয়ানডে ক্রিকেট খুব বেশি খেলিনি। তবে যেটুকু খেলেছি, তাতেই আমাদের কিছু দুর্বলতা পরিষ্কার হয়ে গেছে। বোলিংয়ের দিক থেকে আমাদের আরও অনেক নিয়ন্ত্রিত লাইনে বল করতে হবে, ধারাবাহিকতা বাড়াতে হবে; বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ানডে ক্রিকেটে পাওয়ারপ্লেতে উইকেট পেতে আমাদের বেশ ভালোই বেগ পেতে হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে আমাদের এমন বোলার দরকার যারা টানা এক জায়গায় বল করে উইকেট এনে দিতে পারবেন। আর মিডল ওভারগুলোতে আমাদের বোলিংয়ে অনেক বেশি শৃঙ্খলা দেখাতে হবে। এটা সব ধরণের কন্ডিশনের জন্যই প্রযোজ্য—শুধু ফ্ল্যাট উইকেট বা স্পিন ট্র্যাকে নয়, আমাদের দেখতে হবে কোন বোলাররা যেকোনো পরিস্থিতিতে এই কাজটা করতে পারে।’
ব্যাটিং বিভাগ নিয়েও নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন হেসন। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে পাকিস্তানের ব্যাটিং আরও কার্যকর হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তবে অলরাউন্ডার সালমান আলী আগার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ।
হেসন বলেন, ‘ব্যাটিংয়ের দিক থেকে যদি বলি, মিডল ওভারগুলোতে আমাদের আরও বেশি কার্যকর হতে হবে। মাঝের ওভারগুলোতে আমরা একটু বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ি, যার ফলে ইনিংসের শেষ দিকে ফিনিশারদের ওপর অনেক বেশি চাপ তৈরি হয়।’
সালমান আলী আগাকে প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘তাই মিডল ওভারগুলো সামলানোর জন্য আমাদের সঠিক ব্যাটার খুঁজে বের করতে হবে। এই জায়গায় সালমান আলী আগা অসাধারণ খেলছে, ওয়ানডেতে ওর গড় প্রায় ৫০-এর কাছাকাছি। কিন্তু ওর পাশে অন্য ব্যাটারদেরও সাপোর্ট দিতে হবে। মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে আমাদের আরও অনেক বেশি সক্রিয় হতে হবে, যেন শেষ দিকে এসে ফিনিশারদের কাজটা সহজ হয়ে যায়।’