বাগেরহাটে পৃথক স্থানে নারী ও কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৭, | ১৯:৪৬:৩১ |

বাগেরহাটে পৃথক ঘটনায় এক অজ্ঞাত নারী ও এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত নারীর মরদেহ এবং একই দিন দুপুরে মোল্লাহাট উপজেলার একটি মাছের ঘের থেকে জান্নাতি আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দুটি মরদেহই শুক্রবার সকালে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে দুই ঘটনারই মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
                     
বাগেরহাট সদর থানার ওসি মো. শামসুল আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের জাফরের বাড়ীর একটি পরিত্যাক্ত পুকুর থেকে প্রায় ৩৫ বছর বয়স্ক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কয়েকয় দিন আগে সন্ত্রাসীরা এই মহিলাকে হত্যা করে মরদেহটি নির্জন এলাকার পরিত্যাক্ত পুকুরে ফেলে দেয়। পঁচন ধরা মরদেহটির পরনে পায়জামা ও মেকসি ছিল। হত্যাকারীদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে। মরদেহটি শনাক্তে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে মরদেহের ময়না তদন্ত বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলেইে মৃত্যু আসল কারণ জানা ‍যাবে। 
 
মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার হওয়া কিশোরী জান্নাতির বাবা সৌদি প্রবাসী। মা-বাবার বিচ্ছেদ হওয়ায় জান্নাতি উপজেলার কোদালিয়া গ্রামে দাদীর কাছে থাকত। বৃহস্পতিবার সকালে সে মাছের ঘেরের পাড়ে তাল টোকাতে যায়। পরে আর ফিরে না আসায় দুপুরের আগে খোঁজ করতে গিয়ে জান্নাতিকে ঘেরের পাড়ে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় তার স্বজনেরা। তারা মরদেহ উদ্ধার করে দ্রুত দাফন করতে গেলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহে উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়। শুক্রবার সকালে মরদেহের ময়না তদন্ত বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কিশোরীর মৃত্যুর কারন নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যু কারণ জানা যাবে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..