✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৪, | ১৯:৫৮:১৬ |গত মৌসুমের আর্সেনালের সাফল্যের পেছনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ডেভিড রায়া। বিশেষ করে ২০২৫-২৬ মৌসুমে গানার্সদের প্রিমিয়ার লিগ জয় এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন এই গোলরক্ষক। বর্তমানে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ ক্যাম্পে রয়েছেন তিনি।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আর্সেনালের হয়ে অভিষেকের পর থেকে প্রিমিয়ার লিগে ৪৮টি ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছেন ৩০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। এই সময়ের মধ্যে অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে যা ১২টি বেশি।
গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সপ্তম সর্বোচ্চ শট সেভ করার কৃতিত্ব (৬৯.৮ শতাংশ সেভ পার্সেন্টেজ) দেখান রায়া। তবে এমন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সত্ত্বেও স্পেনের জাতীয় দলে তাকে এখনও প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।
কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেনের গোলপোস্টের নিচে প্রধান ভরসা অ্যাথলেটিক ক্লাবের উনাই সিমন। কারণ ২০২৪ সালের ইউরো জয়ে তার অবদান ছিল অনন্য।
ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সোমবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের বিশ্বকাপ শুরুর ম্যাচে উনাই সিমন শুরুর একাদশে থাকবেন। তবে দলে জায়গা পাওয়ার এই তীব্র লড়াইয়ে দমে যাচ্ছেন না রায়া।
রায়া বলেন, আমরা এটিকে একেবারেই স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছি। "আমাদের দলে যে মানের গোলরক্ষক আছে, তাতে এখানে সবসময়ই তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল।
তিনি বলেন, আমরা নিজেদের আরও উন্নত করতে একে অপরকে প্রতিনিয়ত চাপ দিয়ে যাচ্ছি। যাতে কোচের জন্য সেরা একজনকে বেছে নেওয়ার কাজটি কিছুটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আমরা এখানে একে অপরকে সাহায্য করতে এসেছি। প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় ম্যাচে যেই খেলুক না কেন, সে নিজের সেরাটাই দেবে। স্পেনের গণমাধ্যমে এই বিতর্ক হওয়াটা স্বাভাবিক, কারণ হুয়ান (মুসো) এবং উনাই দুজনেই লা লিগায় খেলছে।
এই স্প্যানিশ গোলরক্ষক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে স্পেনের বাইরে আছি। আমার মনে আছে, প্রথমবার যখন আমি জাতীয় দলে এসেছিলাম, মানুষ জিজ্ঞেস করছিল আমি কে। আমি শুধু কোচের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কঠিন করে তোলার চেষ্টা করছি।
এবার ১৭তম বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে স্পেন। এটি দলটির টানা ১৩তম বিশ্বকাপ আসর।