ইরানের পর ইয়েমেন থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলজুড়ে সতর্কতা সাইরেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৮, | ১৩:০২:২২ |

গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইরান আর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে কোনো হামলা চালায়নি। তবে লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে তেহরান তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় রবিবার দিবাগত রাতে ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান।

এর জবাবে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে ‘আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। ইসরায়েলের এই পাল্টা অভিযানের কিছুক্ষণ পরই ইয়েমেন থেকেও ইসরায়েলের দিকে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরপরই মধ্য ইসরায়লের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে এরপর দেশটির আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইরানের সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধের বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করি ইসরায়েল পাল্টা জবাব দেবে না। যদি নেতানিয়াহু পাল্টা আঘাত হানেন, তাহলে গত ৪৭ বছর কিংবা গত ৩ হাজার বছরের মতো সংঘাত চলতেই থাকবে।

তবে ট্রাম্পের এই আহ্বানে সাড়া দেননি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইরান আজ ইসরায়েলের দিকে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র শত শত মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারত। আত্মসম্মানবোধ আছে এমন কোনো দেশ এই ধরনের আক্রমণ মেনে নেবে না, ইসরায়েলও নেয়নি।

সূত্র : আল-জাজিরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..