সর্বশেষ :
প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন তৈরি করল এআই, রোগ প্রতিরোধে নতুন আশা ইভির দিকে ঝুঁকছে ভারত, তবে বড় বাধা চার্জিং অবকাঠামো যুদ্ধের পর প্রথম রিপোর্ট: ইরানের মজুদ ইউরেনিয়ামের হদিস পাচ্ছে না আইএইএ ইরানকে তিন দিক থেকে ঘেরাও, আজারবাইজানে গোপন ঘাঁটির তথ্য ফাঁস চীনের এজেন্ট হয়ে আমেরিকায় ছদ্মনামে সাংবাদিকতা, অতঃপর… বাড়িতে চলছিল শেষকৃত্য, অতঃপর ‘অলৌকিক’ প্রত্যাবর্তন এভারেস্টে নিখোঁজ শেরপার! বিশ্বের প্রায় অর্ধেক সিগারেট পোড়ে এ দেশেই বাসচাপায় আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু, দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ ফুটবল বিশ্বকাপে প্রযুক্তির নতুন অধ্যায়, নিরাপত্তায় রোবট কুকুর আগামী ৫০ বছরে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে ১৫ দেশ

বিশ্বকাপ ঘিরে মেক্সিকোয় রমরমা দেহ ব্যবসার আশঙ্কা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৫, | ২২:৪২:৫২ |
বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। তবে এই মেগা ইভেন্টের আড়ালে অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকোয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এক অন্ধকার জগৎ।

মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া লাখ লাখ বিদেশি পর্যটক ও ফুটবলপ্রেমীদের আগমনকে কেন্দ্র করে দেশটিতে মানবপাচার এবং জোরপূর্বক যৌন বাণিজ্যের (দেহ ব্যবসা) বাজার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

মেক্সিকোর অন্যতম শীর্ষ জাতীয় দৈনিক মিলেনিও এ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মিলেনিওর খবরে বলা হয়েছে, কুখ্যাত মাদক কার্টেল (অপরাধীদের বাণিজ্যিক জোট, সিন্ডিকেট বা সমিতি) এবং অপরাধী চক্রগুলো আসন্ন বিশ্বকাপকে তাদের অবৈধ আয়ের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে মেক্সিকো মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে।

খেলাগুলো হবে দেশটির তিনটি শহর মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা ও মন্তেররেইয়ে। মেক্সিকোর অপরাধবিষয়ক গবেষকদের মতে, এই তিনটি প্রধান শহরের যৌন বাণিজ্যের রুটগুলো এখন সম্পূর্ণভাবে অপরাধী সংগঠনগুলোর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

গুয়াদালাহারা শহরটি মূলত হালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেলের (সিজেএনজি) মূল ঘাঁটি। সেখানে স্বাধীনভাবে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই।
যৌনকর্মীদের নিয়মিত এই কার্টেলকে নির্দিষ্ট অংকের ফি বা চাঁদা দিতে হয়।

মন্তেররেইয়ে আধিপত্য বিস্তার করছে নর্থইস্ট কার্টেল এবং সিনালোয়া কার্টেল। বিশেষ করে শহরের বারিও আন্তিগুয়ো এলাকায় তাদের সঙ্গী প্রদানকারী পরিষেবা ও বারের ব্যবসা এখন রমরমা।

রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে মানবপাচারের চিত্র আরো ভয়াবহ। শহরের দক্ষিণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে ভেনিজুয়েলার কুখ্যাত গ্যাং ত্রেন দে আরাগুয়া এবং স্থানীয় ত্লাহুয়াক কার্টেল।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ও পূর্ব অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে সিজেএনজি ও সিনালোয়া কার্টেল।

মেক্সিকোর আরেক সংবাদমাধ্যম অ্যানিমেল পলিটিকোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ সামনে রেখে দেশটির ১০টি অপরাধী চক্রের মধ্যে ৯টিই এখন জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা বা পতিতাবৃত্তি থেকে মুনাফা লুটছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ব্যবসার পাশাপাশি মানবপাচার এখন কার্টেলগুলোর অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, এই কালোবাজারি ব্যবসার বৈশ্বিক মূল্য বছরে প্রায় ৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২ লাখ ১৭ হাজার ১৩ কোটি টাকা)।

মাদক চক্রগুলো নারীদের শুধু যৌন কাজেই বাধ্য করছে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে তাদের দিয়ে মাদক পাচার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের ওপর নজরদারির কাজও করাচ্ছে বলে দাবি করেছে অ্যানিমেল পলিটিকো।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..