✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৩, | ১৩:২৭:২৩ |আন্তর্জাতিক ফুটবলের নতুন অধ্যায়ের পথে এগিয়ে চলা বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল এখন ইউরোপে পূর্ণ শক্তিতে। বহুল প্রতীক্ষিত তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় সান মারিনো সফরে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে এসেছে নতুন মাত্রা। তার আগমনের মধ্য দিয়ে অবশেষে সম্পূর্ণ দলকে একসঙ্গে পেয়েছেন প্রধান কোচ থমাস ডুলি।
আগামী ৫ জুন সান মারিনো জাতীয় দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে কয়েক দিন ধরেই ইউরোপে অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। প্রথমে মূল স্কোয়াড সেখানে পৌঁছায়। এরপর পর্যায়ক্রমে দলে যোগ দেন সামিত সোম ও জায়ান আহমেদ। সবশেষে মঙ্গলবার রাতে হামজার আগমনে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় লাল-সবুজের শিবির।
দীর্ঘ যাত্রার কারণে সান মারিনো পৌঁছানোর পর প্রথম দিন খেলোয়াড়দের জন্য ছিল পুনরুদ্ধারমূলক অনুশীলন। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে ম্যাচকেন্দ্রিক পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি।
দলের অনুশীলন সূচিতে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বল নিয়ন্ত্রণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং ম্যাচ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ কাজ করছেন কোচিং স্টাফ। ইউরোপের পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে সমানতালে।
দুই দিনের ব্যবধানে দুই রকম আবহাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশ দলের। একদিন ছিল বেশ শীতল পরিবেশ, অন্যদিন তাপমাত্রা ছিল প্রায় বাংলাদেশের মতোই উষ্ণ। ফলে দ্রুত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াও এখন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত অনুশীলনে খেলোয়াড়দের মধ্যে দেখা গেছে আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগের ছাপ। ইউরোপের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন দলের সদস্যরা।
প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে দেখছেন না প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তিনি বলেন, বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব কাগজে-কলমে বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও মাঠের লড়াই হবে ভিন্ন বাস্তবতা। কারণ সান মারিনো নিয়মিতভাবে ইউরোপের শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে খেলতে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
ডুলির ভাষায়, প্রতিপক্ষকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বরং ইউরোপের পরিবেশে নিজেদের সামর্থ্য যাচাই এবং ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতির জন্য এই ম্যাচকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাই মনে করছেন তিনি।
উল্লেখ্য, হামজা চৌধুরীর অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের ফুটবলকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। ইউরোপীয় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই মিডফিল্ডারের উপস্থিতি দলের শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।