ছিপছিপে গড়ন। বোলিংয়ের সময় তেমন আগ্রাসী মনে হয় না তাকে। উইকেট পাওয়ার পর উদযাপনে নেই বাড়তি উচ্ছ্বাস। কিন্তু একজন পেসারের সবচেয়ে বড় অস্ত্র যে গতি, সেখানেই এখন বিশ্বের সেরাদের কাতারে নাহিদ রানা। তার ভেতরের আগুন প্রকাশ পায় বোলিংয়ে।
রোববার সিলেট টেস্টের দ্বিতীয়দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের এই গতিতারকা বললেন, ‘আমাকে কেউ বাউন্সার দিলে আমি তাকে ছেড়ে কথা বলব না।’
ঢাকা টেস্ট জেতার পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও নাহিদকে নিয়ে একই মন্তব্য করেছিলেন। সেটিও ছিল মাঠের এক ঘটনার প্রেক্ষিতে।
মাত্র ১২ টেস্টের ক্যারিয়ারে নাহিদ নিজের বড় শিকার বানিয়ে ফেলেছেন বাবর আজমকে। ২০২৪ সালের রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট থেকে শুরু করে সিলেট পর্যন্ত বাবরের বিপক্ষে চার ইনিংসে তিনবারই আউট করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ককে।
তার বিরুদ্ধে নাহিদ করেছেন ৩৯ বল। রান দিয়েছেন মোটে ২২। তাই বাবরের সামনে নাহিদের গড়টাও চোখে পড়ার মতো, ৭.৩৩। বাবরের ক্যারিয়ার গড় যেখানে ৪২.৬৩, বাংলাদেশকে পেলে তা গিয়ে দাঁড়ায় ৪৬.৭৫-এ। সেখানে নাহিদের সামনে তার এমন গড়ই বলে দিচ্ছে, তরুণ এই গতিতারকাকে সামলাতে কেমন হিমশিম খেতে হয় তাকে।
এ প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যাটারকে আউট করতে ভালো লাগে। প্রতিটি উইকেটই আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, দলের জন্যও। কোনো ব্যাটারকে বলে কয়ে আউট করা যায় না। আমি শুধু প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মনোযোগ দিই।’
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয়দিন শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ১৫৬ রানে। আজ পুরোদিন ব্যাটিং করা স্বাগতিকদের লক্ষ্য। নাহিদ বলেন, ‘টেস্টের এখনও তিনদিন বাকি। আমরা আগামীকাল (আজ) যতক্ষণ সম্ভব ব্যাটিং করার চেষ্টা করব। নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই। হাতে এখনও অনেক সময়। স্কোর যত বড় হবে, আমাদের বোলারদের কাজও তত সহজ হবে।’
এ জাতীয় আরো খবর..