✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৪, | ০১:১১:৩৩ |স্মার্টফোনে নানা ধরনের উন্নত ফিচার থাকলেও সবগুলো সবসময় চালু রাখার প্রয়োজন নেই। কিছু সেটিংস ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকায় অজান্তেই ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে। ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ আগের তুলনায় কমে গেলে নিচের পাঁচটি সেটিংস পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
১. ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ স্ক্যানিং বন্ধ রাখুন
ব্যবহার না করলেও ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু থাকলে ফোন আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস খুঁজতে থাকে। এতে ব্যাটারি খরচ হয়। প্রয়োজন শেষ হলে ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ রাখার অভ্যাস করুন।
২. কুইক শেয়ার সীমিত রাখুন
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কুইক শেয়ার ফিচার চালু থাকলে আশপাশের ডিভাইস শনাক্ত করতে ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ ব্যবহার হতে পারে। নিয়মিত ফাইল আদান-প্রদান না করলে কুইক শেয়ারের ‘Who can share with you’ অপশনটি সীমিত করে রাখতে পারেন।
৩. হ্যাপটিক ফিডব্যাক ও ভাইব্রেশন কমিয়ে দিন
কিবোর্ডে টাইপ করা, নম্বর ডায়াল করা কিংবা পর্দায় স্পর্শ করার সময় যে কম্পন অনুভূত হয়, তা ফোনের মোটরের মাধ্যমে তৈরি হয়। প্রয়োজন না থাকলে কিবোর্ড ও সিস্টেমের ভাইব্রেশন কমিয়ে বা বন্ধ করে ব্যাটারি সাশ্রয় করা যায়।
৪. ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ কার্যক্রম সীমিত করুন
অনেক অ্যাপ সরাসরি ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে তথ্য হালনাগাদ ও সমন্বয় করতে থাকে। এতে ইন্টারনেট ও ব্যাটারি দুটিই খরচ হয়। প্রয়োজন নেই এমন অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ করে দিতে পারেন।
৫. লোকেশন বা জিপিএস সবসময় চালু রাখবেন না
নেভিগেশন ও বিভিন্ন লোকেশনভিত্তিক সেবার জন্য জিপিএস প্রয়োজন হলেও সারাক্ষণ এটি চালু রাখার দরকার নেই। প্রয়োজন না থাকলে লোকেশন সেবা বন্ধ রাখুন। পাশাপাশি কোন কোন অ্যাপ আপনার অবস্থান ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে, সেটিও পরীক্ষা করে নিতে পারেন।
এ ছাড়া পর্দার উজ্জ্বলতা প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে রাখা এবং প্রয়োজনের সময় পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করলেও ব্যাটারি তুলনামূলক বেশি সময় ব্যবহার করা সম্ভব।