✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৩, | ২২:১৭:৩২ |এএফসি বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির জয়টা ছিল একেবারেই রোমাঞ্চে ভরা। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিন পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় ছিল সিটিজেনরা।
শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে গোল করে সেই শঙ্কা দূর করেন গাভার্দিওল। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে গেয়িহের গোলে সমতায় ফেরে বোর্নমাউথ। ফলে জয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় সিটির সামনে। তবে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গাভার্দিওলের গোলে আবারও এগিয়ে যায় সিটি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।
এই জয়ে নতুন প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমটা দারুণভাবে শুরু করল ম্যানচেস্টার সিটি। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে রবিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচে আধিপত্য ধরে রেখেও পিছিয়ে পড়েছিলেন আর্লিং হালান্ডরা। তবে শেষদিকের রোমাঞ্চে জয় নিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা। এদিকে একই সময়ে রাতের অন্য ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার জালে গুণে গুণে হালি গোল দিয়েছে ব্রাইটন। জোড়া গোল করেছেন জ্যাক হিনশেলউড।
সিটি-বোর্নমাউথ ম্যাচের সব রোমাঞ্চ জমানো ছিল শেষ ১০ মিনিটের জন্য। ম্যাচের ২৬ মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধে অনটার্গেটে ২টি শট ও ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখেও সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় পর্বেও খেলার একই চিত্র দেখা যায়।
সিটি ভালো খেলছিল, বল দখলে রাখলেও কাঙ্ক্ষিত গোল পাচ্ছিল না। তবে নির্ধারিত সময়ের ঠিক মিনিট পাঁচেক আগে দলকে স্বস্তি এনে দেন মার্ক গেয়িহে। মূলত তিনিই সিটিকে ম্যাচে ফেরান।
প্রথমার্ধে করা নিজের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করে শেরকির কর্নার কিক থেকে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান গেয়িহে। ফরাসি তরুণ শেরকির ক্রসটি ছিল এক কথায় অসাধারণ, যা গোলের একদম সামনে ফাঁকা জায়গায় খুঁজে নেয় তাঁকে। বোর্নমাউথ রক্ষণের বাজে ভুলের সুযোগ নিয়ে সমতায় ফেরে সিটি।
সমতায় ফেরার পর মনে হচ্ছিল পয়েন্ট ভাগাভাগিতেই নিষ্পত্তি হবে ম্যাচ। তবে নাটকের তখনও বাকি ছিল, যার মূল নায়ক ইয়োশকো গাভার্দিওল। বোর্নমাউথের ডিফেন্ডার গিলকে পেছনে ফেলে অফসাইড ফাঁদ এড়িয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন তিনি। রাইয়ান শেরকি এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ে পরাস্ত করে জটলার ভেতর দিয়ে নিখুঁত পাসে খুঁজে নেন গাভার্দিওলকে। আর ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে বল নিচের কোনায় পাঠিয়ে সিটির অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করেন এই ক্রোট ডিফেন্ডার।
দিনের অন্য ম্যাচে ব্রাইটনের মাঠে একদমই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল অ্যাস্টন ভিলা। ম্যাচে ৭৩ শতাংশ বল ব্রাইটনের দখলে থাকা দেখলেই বোঝা যায় ব্রাইটনের আধিপত্যের কথা। ম্যাচে মোট ২১টি শট নিয়ে ৬টি টার্গেটে রাখে তারা। জ্যাক হিনশেলউডের জোড়া গোল ছাড়া মাক্সিম দে কুইপার ও লিন্ডলফ একটি করে গোল করেন।