সর্বশেষ :
টুংটাং শব্দে মুখর টাঙ্গাইলের কামারপল্লী মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার জন্য কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না, খামেনির হুঁশিয়ারি দুবাইয়ে গাড়ির ধাক্কায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু মার্কিন ড্রোন ভূপাতি করে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে ইরানের গুলি যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তিতে ইরানকে আতিথ্য দেবে মেক্সিকো এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সদরঘাটে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়ক-সেতুর টোল প্লাজায় বিজিবি মোতায়েন ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি, ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে জরুরি টিম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় একই প‌রিবা‌রের ৩ জন নিহত পিকআপের ধাক্কায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে মিয়ানমারে শান্তি অসম্ভব

  • নিজস্ব প্রতিবেদক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৪-১৮, | ০৮:৫২:১৪ |

মার্কিন প্রতি‌নি‌ধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শক্তভাবে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে মিয়ানমারে শান্তি ফেরত আসবে না। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস দিবস উপলক্ষ্যে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌ‌হিদ হো‌সেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকি আলোচনা হয়েছে, সেই সম্পর্কে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া ব্যুরো ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল এন চুলিক এবং পূর্ব ও প্যাসিফিক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এন্ড্রু হেরাপ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাদের সহায়তা করার জন্য মিয়ানমারের যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতও ঢাকায় এসেছেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে বড় সমস্যা আরাকান আর্মি। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি রাষ্ট্রীয় বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় যাওয়া যাচ্ছে না। আবার তাদের এড়িয়েও এ সংকট সমাধান সম্ভব নয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমি বলেছি যে, আমরা এখন একটি নতুন বাস্তবতায় আছি। সত্যিকার অর্থে আমরা এখন নতুন প্রতিবেশীর মুখোমুখি; যারা আবার নন-স্টেট অ্যাক্টর। কাজেই তাদের সঙ্গে আমরা না পারছি সরাসরি আচরণ করতে, না পারছি উপেক্ষা করতে। এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি।

তৌ‌হিদ হো‌সেন বলেন, আমি বলেছি যে, হয়তো একটা সময় সমস্যাটি থিতিয়ে আসবে এবং সমাধানের দিকে যাবে। তখন যারা আমাদের বন্ধু ও শক্তিশালী রাষ্ট্র আছে, তাদের সেখানে চাপ সৃষ্টি করতে হবে। যেন সেখানে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা রোহিঙ্গাদের মানবিকভাবে বিবেচনা করে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের কর্মকর্তার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘শুল্কের প্রসঙ্গ এসেছে এবং বলেছি— আমরা চেষ্টা করছি বাণিজ্য বাধা কমিয়ে আনতে। আমি আরেকটি পয়েন্ট বলেছি যে, দুপক্ষের মধ্যে যতটা তফাৎ বলা হয়, সেটি ততটা নয়। কারণ সেবা খাতে আমরা প্রচুর আমদানি করি।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..