সর্বশেষ :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২০ আগস্ট হিরোশিমা-নাগাসাকি হামলার ৮১ বছর: বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক পরিস্থিতি কি? বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, সরাসরি বিশ্বকাপের স্বপ্নও শেষ আয়ারল্যান্ডের সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা সারাদিন ফুরফুরে থাকতে সকালটা শুরু করবেন যেভাবে আড়াই বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১১২ মরদেহ সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে : রিজভী আইআরজিসির সংশ্লিষ্ট ইরাকি এয়ারলাইন্সের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার খবর ‍উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২০ আগস্ট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৬, | ১৫:০০:১৯ |
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ তফসিল ঘোষণা করেন।

তফসিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে ২০ আগস্ট। এর আগে মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ ১৮ আগস্ট।

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের সময়সীমার এখনও অনেকটা বাকি। কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন থেকে বিধি মোতাবেক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার হিসাবে জাতীয় সংসদ সদস্যদের তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।  সংসদ  সচিবালয় থেকে এই তালিকা ইতোমধ্যে ইসিতে পাঠানো হয়। এরপর নির্ধারিত সময়সীমা বাকি থাকলেও চলতি মাসেই ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, কমিশন আজ ভোটার তালিকা পেয়েছে। সংসদ থেকে এ তালিকা পাঠানো হয়েছে।

গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

কীভাবে নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি : গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে। বর্তমান ব্যবস্থায় ৩৫০ জন এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। ফলে এমপিরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। বিদ্যমান ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে ভোট দিলে এমপি পদ বাতিল হবে।

এ নিয়মের কারণে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়া অবধারিত। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে একবারই- ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর ১৮ এমপি তাঁকে ভোট দেন। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পান। পরের সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় ঠেকাতে জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়, এমপিদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবে কোনো দলেরই নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, এর একটি এই প্রস্তাব। তবে এখনও সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। আবার সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি সংবিধান সংশোধন না হওয়ায়। যদিও বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা আছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। 

প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদে ছয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের একক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দিতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপি এ প্রস্তাবের একাংশে নোট অব ডিসেন্ট দেয়। দলটি রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগের ক্ষমতা দিতে রাজি হয়নি। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে যে ৯টি সংস্কার প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, এর একটি এটি। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..