মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে পারে আরও যেসব দেশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১০, | ১৮:৪৪:৫৮ |

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সদ্য গঠিত প্রতিরক্ষা জোট আরও সম্প্রসারণ করতে চায় আঙ্কারা। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের পরিকল্পনা অনুযায়ী তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জোটে আরও দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

শনিবার প্রকাশিত তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, “আমাদের প্রেসিডেন্টের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, আমরা যেন শুধু তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকি। আমাদের আরও বড় হতে হবে এবং প্রয়োজন হলে অন্যান্য দেশকেও এই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে হবে।”

শুক্রবার তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান ‘মক্কা জয়েন্ট ডিটারেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামোয় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

তবে চুক্তিটি এখনই কোনও পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোটে রূপ নিয়েছে কি না, কিংবা ভবিষ্যতে এতে কতটি দেশ যুক্ত হবে- তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য সম্প্রসারণ নিয়ে ইতোমধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে মিসরের নাম। পাশাপাশি কাতার, কুয়েত, আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর নামও সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে।

কী রয়েছে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে?
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিটি এক বছর আগে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া একটি প্রতিরক্ষা সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।

চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- তিন দেশের যেকোনও একটি রাষ্ট্রের ওপর বাইরের কোনও সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত দেশকে কী ধরনের সামরিক বা অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হবে, তার সুনির্দিষ্ট কাঠামো এখনও পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, কোনও সদস্য আক্রান্ত হলে কী মাত্রায়, কী ধরনের এবং কোন পদ্ধতিতে সহায়তা দেওয়া হবে, তা পরিস্থিতি অনুযায়ী পরামর্শের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে তিন দেশ।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, কোনও সদস্যরাষ্ট্র আক্রান্ত না হলে অন্য কোনও দেশকে এই জোটের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

তুরস্ক ও সৌদি আরব- দুই পক্ষই বলেছে, নতুন এই চুক্তি অন্য কোনও কৌশলগত জোট বা বিদ্যমান সম্পর্কের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে না। ন্যাটোর সদস্য তুরস্কও স্পষ্ট করেছে, চুক্তিটি কোনও নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় এবং বিশেষ করে ইরানকে লক্ষ্য করে এটি করা হয়নি।

প্রথম সারিতে মিসর
সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্টভাবে যে দেশের নাম এসেছে, সেটি হলো মিসর।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান মিসরকে এই জোটের একটি ‘স্বাভাবিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার আশা, কিছু ‘কারিগরি বিষয়’ সমাধান হওয়ার পর কায়রো আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যোগ দেবে।

ফিদান বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী পর্যায়ে মিসরও আমাদের সঙ্গে এই জোটে থাকবে। আমরা এরই মধ্যে একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে কাজ করছি, যেন আমরা জোটের সদস্য।”

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিভাগের অধ্যাপক আলী বাকিরের মতে, মিসর যুক্ত হলে জোটটির রাজনৈতিক গুরুত্ব, আঞ্চলিক প্রভাব এবং সামরিক কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

কেন মিসরের যোগ দেওয়া সহজ নাও হতে পারে?
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক- তিন দেশের সঙ্গেই মিসরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে পরামর্শের জন্য মিসর তাদের সঙ্গে ‘আর-৪’ নামে একটি সহযোগিতা কাঠামোর অংশও।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের সঙ্গে মিসরের সামরিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। এর আগে দুই দেশের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ ছিল। বিশেষ করে ২০১৩ সালে মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতাচ্যুত করা, লিবিয়া সংকট এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্যাসক্ষেত্রের মালিকানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।

তবে এসব ঘনিষ্ঠতার পরও একটি বাধ্যতামূলক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কায়রো সতর্ক থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির সহযোগী ফেলো করিম এলগেন্ডির মতে, মিসর এমন কোনও চুক্তিতে যেতে চাইবে না, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক, বিদ্যমান জোট বা শান্তিচুক্তিকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।

তিনি বলেন, চুক্তির ভাষা যদি মিসরের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা ও সহায়তার সম্পর্ক সুরক্ষিত রাখে, বিদ্যমান জোট ও শান্তিচুক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে এবং কখন ও কোথায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে সে বিষয়ে কায়রোর নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রাখে, তাহলে মিসর শেষ পর্যন্ত এতে যোগ দিতে পারে।

তবে চুক্তিটি যদি এমন বাধ্যবাধকতায় পরিণত হয়, যার ফলে অন্য কোনও দেশের যুদ্ধে মিসরকে সামরিকভাবে জড়িয়ে পড়তে হয়, তাহলে কায়রোর অবস্থান নেতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

এলগেন্ডি বলেন, মিসরের সামনে থাকা ‘কারিগরি সমস্যাগুলো’ একই সঙ্গে আইনি ও সামরিক-কার্যক্রমসংক্রান্ত হতে পারে। কায়রোকে স্পষ্টভাবে জানতে হবে- চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এবং কাদের বিরুদ্ধে তাকে প্রতিরক্ষা দিতে হবে।

বিশেষ করে কোনও পরিস্থিতিতে চুক্তির সদস্যপদ যেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচিত না হয় এবং লিবিয়া ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় বিরোধে তুরস্কের অবস্থানকে সমর্থনের বাধ্যবাধকতা যেন তৈরি না হয়- এ বিষয়ে মিসর নিশ্চয়তা চাইতে পারে।

অধ্যাপক আলী বাকিরের মতে, শেষ পর্যন্ত মিসরের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জোটে যোগ দেওয়ার কৌশলগত সুবিধা কতটা এবং এর ফলে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনায় কী ধরনের জটিলতা তৈরি হবে তার ওপর।

চ্যাথাম হাউসের আরেক সহযোগী ফেলো আহমেদ আবুদুহ বলেন, মিসর তিন দেশের মতোই আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও তাদের হুমকি সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি এক নয়। ফলে কায়রো কোনও কঠোর নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে যেতে অনিচ্ছুক হতে পারে।

তার মতে, মিসরের পছন্দ হলো বিভিন্ন বিষয়ে সীমিত ও পরস্পর-সমান্তরাল আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হওয়া। কোনও একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষা জোটে জড়িয়ে পড়ে অতিরিক্ত সামরিক ও কূটনৈতিক ঝুঁকি নেওয়া কায়রোর জন্য আকর্ষণীয় নাও হতে পারে।

তবে ভবিষ্যতে মিসর জোটে যোগ দিতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। তার ভাষায়, এটি কায়রোর জন্য একটি ‘জটিল সিদ্ধান্ত’ হবে।

উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কারা যোগ দিতে পারে?
মিসরের পাশাপাশি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) কয়েকটি দেশও ভবিষ্যতে এই জোটে যোগ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরব ছাড়াও জিসিসির সদস্য হলো- কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আশা প্রকাশ করেছেন, জিসিসির সব সদস্যই এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেবে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদানও বলেছেন, আরও আঞ্চলিক দেশকে জোটে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তার দাবি, কিছু দেশ- যাদের নাম তিনি প্রকাশ করেননি- ইতোমধ্যে এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ফিদানের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের লক্ষ্য তিন দেশের মধ্যে জোটকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও দেশকে এর আওতায় নিয়ে আসা।

কাতার ও কুয়েত সবচেয়ে সম্ভাব্য?
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কাতার ও কুয়েতের নাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

করিম এলগেন্ডির মতে, ~প্রথমে নজর রাখতে হবে কাতার ও কুয়েতের দিকে।” কারণ, দুই দেশই তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে।

তার মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের অভিজ্ঞতার পর কাতার ও কুয়েত নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চাইতে পারে।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তা নতুন করে উপলব্ধি করেছে। সেপ্টেম্বরে দোহায় ইসরায়েলের হামলার ঘটনাও কাতারের নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

অধ্যাপক আলী বাকিরও কাতারকে সবচেয়ে ‘স্বাভাবিক’ সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, কুয়েতও পরবর্তী পর্যায়ে জোটে যুক্ত হতে পারে।

আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানের নামও আলোচনায়
উপসাগরীয় দেশগুলোর বাইরে আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানকেও সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে দেখছেন কিছু বিশ্লেষক।

আলী বাকিরের মতে, এসব দেশ তুলনামূলক দ্রুত জোটে যুক্ত হতে পারে।

তবে এসব দেশের ক্ষেত্রে কৌশলগত স্বার্থ, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং বিদ্যমান জোট ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিশেষ করে জোটটি যদি কেবল রাজনৈতিক ও প্রতিরোধমূলক সহযোগিতার কাঠামো হিসেবে থাকে, তাহলে নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু যদি এটি একটি কঠোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় পরিণত হয়, তাহলে অনেক দেশই যোগ দেওয়ার আগে নিজেদের সামরিক ও কূটনৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সতর্ক হবে।

নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর সূচনা?
তুরস্ক-সৌদি আরব-পাকিস্তান চুক্তি শেষ পর্যন্ত কতটা বিস্তৃত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

করিম এলগেন্ডির মতে, এটিকে দ্রুত একটি বড় সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং এটি বিভিন্ন দেশের নিজস্ব নিরাপত্তা হিসাবের ওপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হতে পারে।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি ‘ইচ্ছুক দেশগুলোর জোট’ হয়ে উঠতে পারে, যেখানে প্রতিটি দেশ নিজের ঝুঁকি ও স্বার্থের হিসাব করে আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।

অর্থাৎ, ন্যাটোর মতো একটি কঠোর ও একীভূত সামরিক জোটের পরিবর্তে এটি শুরুতে নমনীয় আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবেই বিকশিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

তবে মিসর, কাতার, কুয়েতসহ আরও কয়েকটি দেশ এতে যুক্ত হলে জোটটির রাজনৈতিক ও সামরিক গুরুত্ব দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা সমীকরণেও পরিবর্তন আসতে পারে।

একই সঙ্গে নতুন জোটটি ইরানকে লক্ষ্য করে নয়- তুরস্ক ও সৌদি আরবের এই বক্তব্য সত্ত্বেও- এর বিস্তার আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে নতুন করে কৌশলগত হিসাব-নিকাশ তৈরি করতে পারে।

ফলে আগামী দিনে এই জোটের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে- কতটি দেশ এতে যোগ দেয়, সদস্যদের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা কতটা গভীর হয় এবং কোনও সদস্য আক্রান্ত হলে অন্যরা বাস্তবে কী ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকে। এসব প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে মক্কা চুক্তি কেবল একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়ে থাকবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামোর ভিত্তি হয়ে উঠবে। সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..