সর্বশেষ :
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ৬ কমিটি প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯১৫ মিলিয়ন ডলার কোন পথে এগোচ্ছে ট্রুডো-কেটি পেরির প্রেম? গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে যেন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি বিকৃত না হয় : তথ্যমন্ত্রী ব্রেট লির মতে, শচীন সেরা ব্যাটার হলেও সর্বকালের সেরা ক্যালিস মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পাঁচ প্যানেল ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হলেও নির্ভার রাবাদা বামপন্থার অবসান, ফিরল ডানপন্থী শাসন: কেন দে লা এসপ্রিয়েলার ওপর বাজি ধরলেন ট্রাম্প? দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৯, | ২০:৫৪:০১ |

টাঙ্গাইলে মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাবাস দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীকে অপহরণের অভিযোগে তার মাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছরের কারাবাস দেওয়া হয়। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সখীপুর উপজেলার খোরশেদ আলম মো. শহিদ, মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. ইসমাইল, মজিবুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহমান এবং ভুক্তভোগীর মা অযুফা বেগম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৮ মে সখীপুরে রাতে এক নারী তার মায়ের সঙ্গে সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা কবিরাজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। এসময় তারা কীর্ত্তনখোলা লোহার ব্রিজে পৌঁছালে পাঁচজন ব্যক্তি ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে তারা নারীকে একটি বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যায়। এসময় নারীর চিৎকারে তার স্বামী এগিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় নিজে মামলা করেন। মামলার পর আদালতে সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসময় প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ মামলায় আসামি আবুল হোসেন ২০২৪ সালে মৃত্যুবরণ করায় আদালত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বাতিল করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগীর মা অযুফা তার সৎ বোনের বিয়ে হয় না বলে কবিরাজের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে আসামিদের হাতে কৌশলে তাকে উঠিয়ে দেয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের বিশেষ পিপি ওমরাও খান দিপু বলেন, ১১ জন সাক্ষী ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক এ রায় দেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি করছি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..