✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৯, | ২০:৪৮:২৩ |সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের (এসএএফএফ) সভাপতি নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নির্বাচনে বদর আল-রুজাইজার নেতৃত্বাধীন প্যানেলকে একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিটি। তবে বাদ পড়া একাধিক প্যানেল এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সৌদি আরবের দৈনিক আরিয়াদিয়া জানিয়েছে, খালিদ আল-গামদির নেতৃত্বাধীন প্যানেলসহ অন্তত দুটি বাদ পড়া প্যানেল আল-রুজাইজার প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্য প্যানেলগুলোও তাঁদের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে যোগ দিতে পারে।
বাদ পড়া প্যানেলগুলোর অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম ও শর্তের কথা বলা হয়েছে, অনুমোদিত প্যানেলের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
শনিবার প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিটি বদর আল-রুজাইজা ছাড়া বাকি পাঁচটি প্যানেলকে নির্বাচনি দৌড় থেকে বাদ দেয়।
বাতিল হওয়া প্যানেলগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ আল-গামদি, ফাহাদ আল-ঘাফিলি, হাতেম খাইমি, আহমেদ আল-ওয়াদাই ও শাকের আল-ওসাইমি।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব প্যানেলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ক্রীড়া ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ঘাটতি, নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করা এবং সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধি-সংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ রয়েছে।
বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে ফাহাদ আল-ঘাফিলি অবশ্য নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি রোশন লিগের একটি ক্লাবের সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর যুক্ত থাকলেও তাঁর সেই অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত ছিল না। ফলে তাঁর প্যানেলের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ঘাফিলি বলেন, 'কমিটির সিদ্ধান্তের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।'
নির্বাচনী সূচি অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালক পদে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। এ সময় মোট সাতটি প্যানেল মনোনয়ন দাখিল করেছিল। পরে তুর্কি আল-দাবান তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।
এরপর ২ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত প্রার্থীদের কাগজপত্র ও নির্বাচনী শর্ত যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিটি।
সূত্র: গোল ডটকম