✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৭, | ১৫:৩৭:০৪ |ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে ভারত। দেশটিকে নিজেদের তৈরি ‘অস্ত্র’ ও ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণে ৬ জুলাই জাকার্তা সফরে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো এবং শিল্প খাতে বিনিয়োগসংক্রান্ত একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক একটি চুক্তির আওতায় ইন্দোনেশিয়া ভারতের তৈরি ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্র আমদানি করবে। এছাড়া আরেকটি চুক্তি অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাটারি এবং কারিগরি পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবে ভারত।
ইন্দোনেশিয়ার এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারত ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি, নির্ভুলতা এবং ব্যবহৃত প্রযুক্তি ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের নজর কাড়ে। এরপরই এটি আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।
প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার ইস্পাত, নিকেল ও দুর্লভ খনিজ খাতে বিনিয়োগ করবে ভারত। এছাড়া ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন তৈরিতেও ভারতীয় বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।
অবকাঠামো সহযোগিতার অংশ হিসেবে মালাক্কা প্রণালীর কাছে অবস্থিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সাবাং বন্দর নিয়েও সমঝোতা হয়েছে। ভারতের নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নির্মাণাধীন বন্দর প্রকল্প থেকে সাবাং বন্দরের দূরত্ব প্রায় ১০০ মাইল।
তিন দেশ সফরের অংশ হিসেবে ৬ জুলাই ইন্দোনেশিয়া সফর শুরু করেন নরেন্দ্র মোদি। ৮ জুলাই সফর শেষে তাঁর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ভারত ও ইন্দোনেশিয়া তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত করে। সেই চুক্তির পর এটিই ইন্দোনেশিয়ায় নরেন্দ্র মোদির প্রথম সফর।
ইকোনমিক টাইমস