সর্বশেষ :
ইরানে ঐক্য দেখে গোটা বিশ্ব বিস্মিত, শত্রুর হিসাব উল্টে গেছে : পেজেশকিয়ান অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে উঠবেন যেভাবে রক্ত পরীক্ষাতেই জানা যাবে শরীরের কোন অঙ্গ কতটা ‘বুড়িয়ে’ গেছে! ট্রাম্পের ইরান হামলার পর পরমাণু অস্ত্র অর্জনের কথা ভাবছে অনেক দেশ : তেহরান ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন সুনীল গাভাস্কাররা ইরানে গ্যাসের বিপুল মজুত আবিষ্কার, সম্ভাব্য মূল্য ‘দশ বিলিয়ন ডলার’ নভোচারীর ক্যামেরায় ধরা পড়ল আলোর জাদুকরী খেলা লালচে বিড়ালকে পদবি দিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ, নাম দিল ‘চিফ ফেলিন অফিসার’ গ্রীষ্মে ফ্রান্সে পানিতে ডুবে মৃত্যু ৩০১, এক বছরে বেড়েছে ১৪ শতাংশ স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হচ্ছে, বন্ধ করুন এই ৫ সেটিংস

এবার মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পাবেন ইরানি নারীরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৪, | ২২:৫৮:৪৩ |
ইরানের নারীরা এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স নিতে পারবেন। বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। এর ফলে দুই চাকার যানবাহন চালানো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আইনি অস্পষ্টতার অবসান হলো।

আগে প্রচলিত আইনে নারীদের মোটরসাইকেল বা স্কুটার চালানো সরাসরি নিষিদ্ধ না হলেও কর্তৃপক্ষ তাদের লাইসেন্স দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল।

এই আইনি অস্পষ্টতার কারণে কোনো দুর্ঘটনায় পড়লে দায়ভার নারীদেরই বহন করতে হতো।

ট্রাফিক আইন স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার ইরানের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন। জানুয়ারির শেষ দিকে ইরানের মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে বলে দেশটির ইলনা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।

ইলনার খবরে বলা হয়, নতুন আইনের আওতায় ট্রাফিক পুলিশ নারী আবেদনকারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারবে, পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে এবং নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স প্রদান করা হবে।

সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন এসেছে। তেহরান স্বীকার করেছে, বিক্ষোভ চলাকালে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও পথচারী।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা নানা সামাজিক বিধি-নিষেধের মুখে পড়েছেন।

মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ড্রেস কোড একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হতো।
ইরানে নারীদের জনসমক্ষে মাথায় ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখা এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা বাধ্যতামূলক। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক নারী এসব নিয়ম মানছেন না, ফলে মোটরসাইকেলে নারীদের উপস্থিতি গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

পুলিশি হেফাজতে তরুণী মাহশা আমিনির মৃত্যুর ঘটনার পর এই প্রবণতা আরো জোরালো হয়। ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক ওই নারীর মৃত্যুর পর দেশজুড়ে নারীদের স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..