সর্বশেষ :
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ৬ কমিটি প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯১৫ মিলিয়ন ডলার কোন পথে এগোচ্ছে ট্রুডো-কেটি পেরির প্রেম? গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে যেন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি বিকৃত না হয় : তথ্যমন্ত্রী ব্রেট লির মতে, শচীন সেরা ব্যাটার হলেও সর্বকালের সেরা ক্যালিস মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পাঁচ প্যানেল ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হলেও নির্ভার রাবাদা বামপন্থার অবসান, ফিরল ডানপন্থী শাসন: কেন দে লা এসপ্রিয়েলার ওপর বাজি ধরলেন ট্রাম্প? দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

৪ বছরের ব্যবধানে ১০ গুণ বেড়ে গেছে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১০-১১, | ১০:৪৫:১৬ |

বিশ্বকাপের টিকিট মানেই যেন সোনার হরিণ। সেটা অবশ্য টিকিটের প্রাপ্যতার কারণে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটে তার সঙ্গে যোগ হয়েছে তার বাড়তি দামও। তাও যেনতেন হারে বাড়েনি এই দাম, ২০২২ বিশ্বকাপের চেয়ে ১০ গুণ বেড়ে গেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম। এতটাই যে, আগের বিশ্বকাপে যে টাকা খরচ করে সবচেয়ে দামী আসনে বসে খেলা দেখা যেত, এবার সবচেয়ে কম দামী আসনে বসে খেলা দেখতে হলেও গুণতে হবে এর বেশি টাকা। এসব তথ্য দেখে স্পষ্ট হয়েছে, ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে এটি।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবার সব শ্রেণির টিকিটেই ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। বিশেষ করে ‘ক্যাটাগরি ৪’ বা সাধারণ দর্শকের জন্য নির্ধারিত টিকিটের দাম বেড়েছে প্রায় দশগুণ। কাতারে উদ্বোধনী ম্যাচের সবচেয়ে সস্তা টিকিটের দাম ছিল ৫৫ ডলার। কিন্তু ২০২৬ সালের জন্য সেই দাম দাঁড়িয়েছে ৫৬০ ডলারে। অর্থাৎ, এবার সবচেয়ে সস্তা টিকিটের দামই আগের আসরের সবচেয়ে দামী ‘ক্যাটাগরি ১’ টিকিটের কাছাকাছি।

গ্রুপ পর্বের টিকিটের দামও বেড়েছে নয়গুণ। আগে যা ছিল মাত্র ১১ ডলার, এখন তা ১০০ ডলার। ফাইনাল ম্যাচের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি আরও চমকে দেওয়ার মতো। ২০২২ সালে ফাইনালের সবচেয়ে সস্তা টিকিট ছিল ২০৬ ডলার, এবার সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩০ ডলারে। অর্থাৎ, এবার সবচেয়ে সস্তা আসনের দামই আগের আসরের সবচেয়ে দামী আসনের চেয়েও বেশি।

এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ। ভক্তরা বলছেন, ফিফা এখন এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা আর মাঠে গিয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘এমন দামে বিশ্বকাপ এখন কেবল ধনীদের বিনোদন।’

এর সঙ্গে আরও যুক্ত হয়েছে ফিফার নতুন ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ নীতি। এতে বলা হয়েছে, যেসব ম্যাচে চাহিদা বেশি থাকবে, সেসব ম্যাচের টিকিট পরবর্তী বিক্রির ধাপে আরও বাড়ানো হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যবস্থা মূলত উত্তর আমেরিকার বাজারে প্রচলিত, যা শেষ মুহূর্তে কম দামে টিকিট পেতে অভ্যস্ত স্থানীয় দর্শকদের সুবিধা দেবে। কিন্তু বিদেশি ভক্তদের জন্য এটি হবে আরও কঠিন, কারণ তারা আগেই ভ্রমণ ও থাকার পরিকল্পনা না করে হঠাৎ টিকিট কিনতে পারবেন না।

ফিফা আবার টিকিট পুনর্বিক্রিতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ ফি নেবে। এতে বৈধ পথে টিকিট বিক্রি বা কেনার খরচও আরও বাড়বে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের সাধারণ টিকিটের দাম এখন ২,০৩০ ডলার থেকে শুরু হয়ে ৬,৩৭০ ডলার পর্যন্ত। এখনো আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) টিকিট বিক্রি শুরু হয়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আসর হতে যাচ্ছে।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..