সর্বশেষ :
কম খরচে নিখুঁত ও প্রাণঘাতী হামলা : ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র কেন হঠাৎ দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ছেন লাখ লাখ প্রবাসী সৌদি আরবে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার ইয়েমেনে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বাড়ছে উদ্বেগ দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ! প্রিমিয়ার লিগে ট্রান্সফার উন্মাদনা, শেষ মুহূর্তে বদলে যেতে পারে সব হিসাব বিশ্বকাপ মাতিয়ে ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বৃদ্ধিতে সবার ওপরে হালান্ড ইংল্যান্ডকে টপকে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরল ভারত দোন্নারুমার বিয়েতে নরওয়ের সেই বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে হালান্ড আর্জেন্টিনায় ট্রায়াল শেষে দেশে ফিরে মারা গেলেন ফুটবলার

বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের দাবিতে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৮-০৬, | ০৫:১৮:৫৯ |

রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে তারা ঢাকা কলেজে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

সকাল ১০টার পর থেকেই শতাধিক শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজের মূল ফটকে জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি কলেজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে ইউটার্ন নেয় এবং নীলক্ষেত হয়ে ইডেন মহিলা কলেজের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। পরে ফের নীলক্ষেত হয়ে ঢাকা কলেজে ফিরে এসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, সরকার ঘোষণা দেওয়ার পরেও ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশ এখনও প্রকাশ হয়নি, যা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ‘সাত কলেজ’ কাঠামোর অধীনে অধ্যয়ন করতে গিয়ে তারা পরিচয় সংকটে পড়েছেন। ‘অধিভুক্তি’ শব্দটি তাদের কাছে আত্মপরিচয়হীনতা ও বৈষম্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর টিমের ফোকাল পার্সন আব্দুর রহমান বলেন, “আমরা বহুদিন ধরে স্বতন্ত্র পরিচয়ের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। শিক্ষা সিন্ডিকেটের কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। এখন সময় এসেছে আমাদের লড়াইয়ের বাস্তবায়ন দেখার।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার যখন অধ্যাদেশ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, তখন তা সময়মতো বাস্তবায়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর আর কোনো অনিশ্চয়তা চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।”

আন্দোলনকারীদের আশঙ্কা, অধ্যাদেশ কার্যকরের প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। তারা জানান, পাঁচটি ধাপ পেরিয়ে এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে— যার মধ্যে রয়েছে ইউজিসির খসড়া প্রণয়ন, আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো, সেখান থেকে সংশোধন হয়ে ইউজিসিতে ফেরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো এবং সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন।

তাদের দাবি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা না থাকলেও ধীরগতির প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে দেরি হতে পারে, যা তারা মেনে নিতে রাজি নন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে পৃথক করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের ঘোষণা দেয়। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..