✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৬, | ২২:৪১:১৪ |২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে সবচেয়ে বেশি ইনস্টাগ্রাম অনুসারী (ফলোয়ার) অর্জন করেছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। অন্যদিকে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ব্রাজিলের তারকা নেইমার রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে।
বিশ্বকাপটি বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন আগ্রহ সৃষ্টি করে। এর ফলে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
স্পোর্টিকোর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, হালান্ড বিশ্বকাপ চলাকালে ৩ কোটি ২০ লাখ নতুন ফলোয়ার যোগ করে শীর্ষস্থান দখল করেন।
১০. এন্দ্রিক (ব্রাজিল)
ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিকের ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে বেড়ে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছায়।
খেলার সুযোগ খুব বেশি না পেলেও, তিনি হাইতির বিপক্ষে গোল করেন। তবে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের শেষ ষোলোর ম্যাচে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন।
৯. মাইকেল অলিসে (ফ্রান্স)
ফ্রান্সের হয়ে দুর্দান্ত একটি বিশ্বকাপ কাটান মাইকেল অলিসে। বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়ে সাতটি অ্যাসিস্ট করেন, যা পেলের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যায়। তার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বেড়েছে ৫৭ লাখ।
৮. গিলবার্তো মোরা (মেক্সিকো)
মাত্র ১৭ বছর বয়সী গিলবার্তো মোরা এই তালিকার সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার।
মেক্সিকোর শেষ ষোলোতে ওঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপ চলাকালে তার ফলোয়ার বেড়ে ৭৭ লাখে পৌঁছায়। ভবিষ্যতে তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৭. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে। তবে শিরোপা জেতে স্পেন।
পুরো টুর্নামেন্টে মেসি ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেন। বিশ্বকাপের আগে তার ইনস্টাগ্রামে ৫০ কোটিরও বেশি অনুসারী থাকলেও, আসর চলাকালে আরও ৭৫ লাখ নতুন ফলোয়ার যোগ হয়।
৬. নেইমার (ব্রাজিল)
চোটের কারণে নেইমারের বিশ্বকাপ অভিযান হতাশাজনকভাবে শেষ হয়। ধারণা করা হচ্ছিল, এটি তার ক্যারিয়ারের শেষ দিকের অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট।
৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ব্রাজিলকে শেষ ষোলোর বাধা পেরিয়ে নিতে পারেননি। তবুও বিশ্বকাপ শেষে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা ২৪ কোটি ২০ লাখের বেশি হয়।
৫. লামিন ইয়ামাল (স্পেন)
২০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ইউরোপ ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন লামিন ইয়ামাল।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি আরও ১ কোটি ১০ লাখ নতুন ফলোয়ার অর্জন করেন। মেসির কীর্তির সমান হতে এখনও অনেক পথ বাকি থাকলেও, তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
৪. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
বিশ্বকাপ চলাকালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আরও ১ কোটি ১০ লাখ নতুন ইনস্টাগ্রাম অনুসারী অর্জন করেন। বিশ্বকাপের আগেই তার ফলোয়ার ছিল ৬০ কোটির বেশি।
পর্তুগাল শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয় এবং পুরো আসরে রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনাও হয়। তবুও ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি এখনও বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ক্রীড়াবিদদের একজন।
৩. জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড)
ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সমালোচকদের জবাব দেন জুড বেলিংহাম।
রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার ৭টি গোল করে ইংল্যান্ডকে তৃতীয় স্থান অর্জনে সহায়তা করেন। টুর্নামেন্ট শেষে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে ৫ কোটি ৩৩ লাখে পৌঁছায়।
২. ভোজিনহা (কেপ ভার্দে)
কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের অন্যতম চমকপ্রদ দল হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়।
দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জোসিমার দিয়াস, যিনি ‘ভোজিনহা’ নামে পরিচিত, এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের ফলোয়ার বৃদ্ধির হার ছিল তালিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার অনুসারীর সংখ্যা মাত্র ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ২ কোটি ৯৪ লাখে পৌঁছে যায়।
১. আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে)
২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে সবচেয়ে বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার অর্জন করেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিনের দুর্দান্ত গোল করার ক্ষমতা নরওয়েকে বিশ্ব ফুটবলে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের সুবাদে হালান্ডের জনপ্রিয়তা আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশ্বকাপ চলাকালে তিনি ৩ কোটি ২০ লাখ নতুন ইনস্টাগ্রাম অনুসারী অর্জন করে তালিকার শীর্ষে স্থান করে নেন।