✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৮, | ০১:১১:৫৩ |স্ত্রীর পরকীয়ার প্রমাণ হাতেনাতে ধরতে রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করেছিলেন এক ব্যক্তি। দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে জিতেছিলেন ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু জয়ের আনন্দ বেশিদিন টেকেনি। উল্টো স্ত্রীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের দায়ে তাকেই যেতে হলো কারাগারে!
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে তাইওয়ানে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিয়ের পর ওই ব্যক্তি মা-বাবার সঙ্গেই থাকতেন। ছুটির দিনে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের হলিডে হোমে যেতেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সেখানে একটি ব্যবহৃত টুথব্রাশ পেয়ে স্ত্রীর ওপর তার সন্দেহ হয়। পরে গ্যারেজের সিসিটিভি ফুটেজে এক অপরিচিত ব্যক্তিকে স্ত্রীকে নামিয়ে দিতে দেখেন তিনি।
তিন মাস পর ওই ব্যক্তি মোবাইল অ্যাপ দিয়ে হলিডে হোমে রোবট ভ্যাকুয়ামটি চালু করেন। যন্ত্রটিতে কথা বলার অডিও সুবিধাও ছিল। তবে কথা বলার বদলে ভ্যাকুয়ামের লাইভ ভিডিওতে স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেন তিনি। দৃশ্যটি রেকর্ড করে তিনি দুজনের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেন। আদালত তাদের সম্পর্ককে বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি উল্লেখ করে স্বামীকে ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
তবে ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। অনুমতি ছাড়া গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে পাল্টা আইনি লড়াই শুরু করেন স্ত্রী। স্বামী আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, দেওয়ানি মামলায় ভিডিওটি প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। কিন্তু আদালত জানান, বৈবাহিক সম্পর্ক কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার নষ্ট করতে পারে না। ভ্যাকুয়ামের আলো বা শব্দ প্রমাণ করে না যে স্ত্রী রেকর্ডিংয়ের বিষয়ে জানতেন। ইচ্ছাকৃতভাবে ভিডিওটি ধারণ করায় স্বামীকে ৫ মাসের কারাদণ্ড এবং সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। দেশটির আইনে এমন অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল ও ৯ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।