মঈন খান এবার দেশের ‘এক নম্বর’ মন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২২, | ০১:১৫:২৯ |
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবদুল মঈন খান। ২১ আগস্ট, সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।  পরে রাতেই তার দপ্তর বণ্টন করা হয়।

ড. মঈন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারণী নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ড. মঈন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক রাজনীতিবিদ ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খানের ছেলে। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।  

বিগত দিনে মন্ত্রী হিসেবে মঈন খান বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (পরবর্তীতে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তালিকা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় এক নম্বর বা ক্রমিক ১-এর মন্ত্রী তিনি। এতদিন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মির্জা ফখরুল মন্ত্রিত্ব ছাড়ায় শূন্য হয় পদটি।

রাজনীতিতে সুশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। 

আবদুল মঈন খান তার শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল থেকে মেট্রিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএসসি (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. মঈন খান রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা খাতেও অসামান্য অবদান রাখেন। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ড. আবদুল মঈন খান শিক্ষকতা ও গবেষণায় দীর্ঘ সময় কাটান।   

তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..