আঙুলের গিঁট ফোটানোর অভ্যাস কি সত্যিই ক্ষতিকর?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৯, | ১৪:৩২:১৮ |

গিঁট ফোটালে আর্থ্রাইটিস হয়-এমন ধারণা বহুদিনের। কিন্তু গবেষণা বলছে, সাধারণভাবে আঙুলের গিঁট ফোটানোর সঙ্গে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সম্পর্ক নেই। তবে ঘাড় ও পিঠ ফোটানোর ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি।

আঙুলের গিঁট ফোটানোর শব্দ অনেকের কাছে বিরক্তিকর, আবার কারও কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক। কেউ অভ্যাসবশত গিঁট ফোটান, কেউ আবার জোড়ায় টান বা চাপ অনুভব হলে ইচ্ছা করেই সেই পরিচিত ‘মটমট’ শব্দটি বের করেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই অনেককে সতর্ক করা হয়- নিয়মিত গিঁট ফোটালে নাকি একসময় আর্থ্রাইটিস হতে পারে।

আসলে কি তাই? প্রতিবার আঙুলের গিঁট ফোটানোর সঙ্গে কি ধীরে ধীরে জোড়ার ক্ষতি হচ্ছে?

বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে, সাধারণভাবে এর উত্তর না। ৫০ বছর ধরে এক হাতের গিঁট ফুটিয়েছিলেন

গিঁট ফোটানো ও আর্থ্রাইটিসের সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ডোনাল্ড উঙ্গারের।

শৈশবে তার মা, কয়েকজন খালা এবং পরে শাশুড়িও তাকে সতর্ক করেছিলেন- বেশি বেশি আঙুলের গিঁট ফোটালে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিস হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলী হয়ে উঙ্গার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি নিজেই বিষয়টির একটি দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা করবেন।

তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রতিদিন অন্তত দু’বার নিজের বাঁ হাতের আঙুলের গিঁট ফোটিয়েছেন। অন্যদিকে ডান হাতের গিঁট ইচ্ছাকৃতভাবে ফোটাননি। হিসাব করলে তার বাঁ হাতের গিঁট প্রায় ৩৬ হাজার ৫০০ বার ফোটানো হয়েছিল।

১৯৯৮ সালে ৭২ বছর বয়সে তিনি দুই হাতের এক্স-রে করান। ফলাফল ছিল বেশ চমকপ্রদ। দুই হাতেই কোনও আর্থ্রাইটিস পাওয়া যায়নি এবং দুই হাতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনও পার্থক্যও দেখা যায়নি।

অবশ্য এটি ছিল মাত্র একজন মানুষের ওপর করা ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। তাই এটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে চূড়ান্ত প্রমাণ বলা যায় না। তবে পরবর্তী বিভিন্ন গবেষণাও মোটামুটি একই ধরনের ফলাফল দিয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের প্রায় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ কোনও না কোনওভাবে আঙুলের গিঁট ফোটান। প্রশ্ন হলো, এত মানুষ কি অজান্তেই নিজেদের জোড়ার ক্ষতি করছেন?

গিঁট ফোটালে আসলে কী ঘটে?
আঙুল, ঘাড় ও শরীরের অন্যান্য স্থানের জোড়ায় দুটি হাড়ের সংযোগস্থল থাকে। এসব জোড়ার চারপাশে থাকে এক ধরনের পিচ্ছিল তরল, যাকে বলা হয় সাইনোভিয়াল ফ্লুইড। অনেকটা ডিমের সাদা অংশের মতো এই তরল জোড়াকে মসৃণভাবে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে এবং হাড়ের মধ্যে ঘর্ষণ কমায়।

যখন কেউ আঙুলের গিঁট টানেন, বাঁকান বা চাপ দেন, তখন জোড়ার ভেতরের জায়গা সাময়িকভাবে কিছুটা প্রসারিত হয়। এতে সাইনোভিয়াল ফ্লুইডের ওপর চাপ কমে যায়। ফলে ওই তরলে দ্রবীভূত থাকা কিছু গ্যাস বের হয়ে ছোট ছোট বুদ্‌বুদ তৈরি করে।

গিঁট ফোটার সময় যে শব্দটি শোনা যায়, সেটি মূলত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে, শব্দটি আশ্চর্যজনকভাবে জোরালোও হতে পারে- কখনও কখনও প্রায় ৮৩ ডেসিবেল পর্যন্ত। অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ৬৪ কিলোমিটার গতিতে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া একটি ডিজেল ট্রাকের শব্দের কাছাকাছি।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের বিজ্ঞানীরা আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে জোড়ার ভেতরে এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তাদের কাছে গিঁট ফোটার মুহূর্তটি অনেকটা পর্দায় আতশবাজি বিস্ফোরিত হওয়ার মতো মনে হয়েছিল।

সাধারণভাবে ক্ষতিকর নয় গিঁট ফোটানো
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের রিউমাটোলজিস্ট কিম হাইরিচের মতে, জোড়ায় ‘পপ’ বা ‘ক্র্যাক’ শব্দ হওয়া মূলত শরীরের একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।

তবে স্বাভাবিক হলেই যে, সব পরিস্থিতিতে তা সম্পূর্ণ নিরাপদ- এমন নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের নিউরোসার্জন জে জগন্নাথন বলেন, জোড়ায় ব্যথা বা ফোলাভাব দেখা দিলে সেটিকে সতর্কসংকেত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করে ঘাড় ফোটানোর মতো আচরণ থেকে পেশি বা অন্যান্য টিস্যুতে টান লাগতে পারে।

তবে সাধারণভাবে, স্বাভাবিক মাত্রায় আঙুলের গিঁট ফোটানোর তাগিদ অনুভব করাকে ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

অনেকে আশঙ্কা করেন, খুব জোরে গিঁট ফোটালে আঙুলের হাড় সরে যেতে পারে বা টেনডনে আঘাত লাগতে পারে। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে বা ভুলভাবে আঙুল মোচড়ালে এমন ঘটনা অবশ্যই ঘটতে পারে। এ ধরনের ঘটনার নজিরও রয়েছে।

১৯৯৯ সালে ফিলাডেলফিয়ার এক হ্যান্ড সার্জন এমন দুই রোগীর কথা উল্লেখ করেছিলেন, যারা গিঁট ফোটানোর সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করে আঙুলে মচকানোর মতো আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও কম জোরে গিঁট ফোটানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

গিঁট ফোটালে কি আর্থ্রাইটিস হয়?
এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে বেশি করা হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, আঙুলের গিঁট ফোটানোর সঙ্গে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস হলো আর্থ্রাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ ধরন। এতে জোড়ার হাড়ের প্রান্তে থাকা কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ব্যথা, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং নড়াচড়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

১৯৭৫ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ২৮ জন নার্সিংহোমের বাসিন্দার ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষকরা দেখতে পান, নিয়মিত আঙুলের গিঁট ফোটানো ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষয়জনিত আর্থ্রাইটিসের হার গিঁট না ফোটানো ব্যক্তিদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নয়।

আরও সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় ২১৫ জন অস্টিওআর্থ্রাইটিস রোগীর আঙুলের গিঁট ফোটানোর ইতিহাস বিশ্লেষণ করে একই ধরনের ফলাফল পাওয়া যায়। একজন ব্যক্তি জীবনে কত বছর ধরে এবং কত ঘন ঘন গিঁট ফুটিয়েছেন-তার সঙ্গে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকির কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, ছোটবেলা থেকে নিয়মিত আঙুলের গিঁট ফোটানোর অভ্যাস থাকলেও শুধু সেই কারণে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিস হবে- এমন আশঙ্কার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

তবে ঘাড় ফোটানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি
আঙুলের গিঁট ফোটানোর ক্ষেত্রে যে স্বস্তির কথা বলা হচ্ছে, ঘাড় বা পিঠের ক্ষেত্রে একই কথা বলা যায় না।

কারণ ঘাড়ের ভেতর দিয়ে শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু ও মেরুদণ্ডের অংশ প্রবাহিত হয়েছে। একই সঙ্গে ঘাড়ের পেছন দিয়ে মস্তিষ্কের দিকে যাওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধমনিও রয়েছে।

নিউরোসার্জন জগন্নাথনের মতে, এসব অংশ অত্যন্ত সংবেদনশীল। অতিরিক্ত বা ভুলভাবে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করলে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এর ফলে হাত-পায়ে ঝিনঝিন করা, মাথা ঘোরা কিংবা আরও গুরুতর স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তার ভাষায়, ঘাড়ে যেকোনও ধরনের অতিরিক্ত ম্যানিপুলেশন বা জোরপূর্বক নড়াচড়া বিপজ্জনক হতে পারে।

নিজে নিজে ঘাড় ফোটানোর পরামর্শ তাই দেওয়া হয় না। এমনকি পেশাদারদের মাধ্যমে ঘাড়ের ম্যানিপুলেশন বা ‘চিরোপ্র্যাকটিক’ সমন্বয় নিয়েও চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিতর্ক রয়েছে। ২০১২ সালে ব্রুনেল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের গবেষক নিল ও’কনেল ও তার সহকর্মীরা চিরোপ্র্যাকটিক ঘাড়ের ম্যানিপুলেশনকে অপ্রয়োজনীয় ও পরামর্শযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেছিলেন।

গিঁট ফোটালে হাতের শক্তি কমে যায়?
আরেকটি প্রচলিত ধারণা হলো, নিয়মিত আঙুলের গিঁট ফোটালে হাতের মুঠোর শক্তি কমে যেতে পারে।

হাতের মুঠোর শক্তি স্বাস্থ্যগত একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি হৃদরোগ, জ্ঞানীয় সক্ষমতার অবনতি, বিষণ্নতা এবং কিছু ধরনের ক্যান্সারের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

১৯৯০ সালের একটি গবেষণায় ৭৪ জন নিয়মিত গিঁট ফোটানো ব্যক্তিকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছিল। তারা ১৮ থেকে ৬০ বছর ধরে এই অভ্যাস চালিয়ে আসছিলেন। গবেষণায় দেখা যায়, তাদের হাতের মুঠো তুলনামূলকভাবে দুর্বল এবং হাতে ফোলাভাব কিছুটা বেশি ছিল।

তবে ২০১৭ সালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় আগের এই ফলাফলকে সমর্থন করা হয়নি। সেখানে গিঁট ফোটানো এবং হাতের মুঠোর শক্তি কমে যাওয়ার মধ্যে কোনও উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

বড় গিঁট বা ঢিলা টেনডন-এগুলোও কি মিথ?
গিঁট ফোটানোর সঙ্গে আরও কিছু ধারণা প্রচলিত আছে। যেমন- এতে আঙুলের গিঁট বড় হয়ে যায়, টেনডন ঢিলে হয়ে যায় কিংবা হাতে স্থায়ী ফোলাভাব তৈরি হয়।
তবে এসব দাবিরও শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে করা গবেষণায় নিয়মিত গিঁট ফোটানো ব্যক্তিদের শারীরিক পরীক্ষা করে জোড়ায় কোনও উল্লেখযোগ্য ফোলাভাব বা অক্ষমতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বরং কিছু মানুষের ক্ষেত্রে গিঁট ফোটালে সাময়িকভাবে জোড়ার নড়াচড়া সহজ মনে হতে পারে। কারণ গিঁট ফোটানোর সময় জোড়াটি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি পরিসরে প্রসারিত হয়।

আরেকটি ধারণা হলো, গিঁট ফোটানোর ফলে জোড়ার আশপাশের স্নায়ুপ্রান্ত উদ্দীপিত হয়ে আশপাশের পেশি কিছুটা শিথিল হতে পারে এবং ব্যথা কমার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। এমনকি এ প্রক্রিয়ায় এন্ডোরফিন নিঃসরণের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে এই ব্যাখ্যাগুলো এখনও নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

তাহলে কি গিঁট ফোটানোর অভ্যাস বন্ধ করতে হবে?
সব মিলিয়ে, সাধারণভাবে আঙুলের গিঁট ফোটানোকে ক্ষতিকর অভ্যাস হিসেবে দেখার কারণ খুব কম। যদি এতে ব্যথা, ফোলাভাব বা অন্য কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ না থাকে, তাহলে শুধু আর্থ্রাইটিসের ভয় থেকে এই অভ্যাস বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

তবে কেউ যদি ব্যক্তিগত কারণে অভ্যাসটি ছাড়তে চান, সেটিও সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, প্রথমে বোঝার চেষ্টা করতে হবে কেন এবং কখন গিঁট ফোটানোর প্রবণতা বাড়ে। কেউ হয়তো মানসিক চাপের সময় এটি করেন, কেউ একঘেয়েমি থেকে করেন, আবার কেউ হয়তো না ভেবেই অভ্যাসবশত করে থাকেন।

এ ক্ষেত্রে কখন গিঁট ফোটাতে ইচ্ছা করছে, তার একটি তালিকা রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি স্ট্রেস বল, ফিজেট টয় বা অন্য কোনও কাজে হাত ব্যস্ত রাখার অভ্যাস করা যেতে পারে। প্রয়োজনে আচরণগত বা কগনিটিভ থেরাপির মতো পদ্ধতিও কাজে লাগতে পারে।

সুতরাং বলা যায়, আঙুলের গিঁট ফোটানোর শব্দ যতই জোরালো হোক, এখন পর্যন্ত পাওয়া বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বলছে- এটি সাধারণভাবে জোড়ার ক্ষতি করে না এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ঝুঁকিও বাড়ায় না।

তবে অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করে আঙুল ফোটানো বা নিজে নিজে ঘাড়ে শক্তভাবে মোচড় দেওয়ার বিষয়টি একেবারেই আলাদা। বিশেষ করে ঘাড়ের ক্ষেত্রে গুরুতর স্নায়ু ও রক্তনালির ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় এমন কাজ এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।

অর্থাৎ, আঙুলের গিঁটের ‘মটমট’ শব্দ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাসের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়তো জোড়ার নয়- আপনার আশপাশের মানুষদের বিরক্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি! সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..