✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৬, | ২১:৩৮:৩৭ |মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, এ দেশে গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবারই এ দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও ৭৫ এ সিপাহী বিপ্লবের পর যে মানুষটিকে জনতা খুঁজে এনে ক্ষমতার আসনে বসিয়েছিলেন, তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এছাড়া ১৯৯০ এবং ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরও এ দেশের মানুষ বিএনপির উপর আস্থা রেখেছে।
আজ সোমবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এ জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের স্মরণে এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে সাথে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে থাকবে সুশাসন। অন্যায়, দুর্নীতি এবং স্বৈরাচারের কোনো স্থান থাকবে না, সবাই মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশনা ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীকে দিয়েছেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান একদিনে হয়নি, গত ১৭ বছরে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনসহ অন্যান্য দলের প্রতি যে নিপীড়ন, নিষ্পেষণ, গুম, খুন ও হত্যা সংঘটিত হয়েছে তারই চূড়ান্ত রূপ ছিল এই গণঅভ্যুত্থান।
অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, দীর্ঘদিনের জনরোষের প্রতিফলন। এ গণঅভ্যুত্থান কোনো একক সংগঠনের দ্বারা সংঘটিত হয়নি, যখন এদেশের ১৮ কোটি মানুষ একত্রে গণঅভ্যুত্থানের শামিল হয়েছে তখনই এই অভ্যুত্থানের সমাপ্তি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শহীদের আত্মত্যাগকে অন্তরে ধারণ করেন যা তার কার্যক্রমের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ ইঞ্জি. সাজ্জাদ হোসেনের মা, সেলিম তালুকদারের বাবা এবং আতিক আহমেদের বড় ভাই তাদের সন্তান ও ভাইয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা উপস্থিত সকলের সামনে বর্ণনা করলে সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা, জেটেবের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেটেব-এর সভাপতি ইঞ্জি. ফখরুল আলম।