সর্বশেষ :
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৪ বিষয়ের মধ্যে যা যা থাকছে বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট রাজশাহীতে মাহিন্দ্রা-ট্রাকের সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ শিল্প-সংস্কৃতি শিক্ষায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফসহ চারজনের মামলার রায় যেকোনো দিন ফুটবল বিশ্বকাপ : ক্রিকেট তারকারা কে কোন দলের সমর্থক মিয়ানমারে তরুণদের যুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে জান্তা, নতুন কৌশলে চাপে বিদ্রোহী গোষ্ঠী কি এই মার্কিন সি ড্রোন? জোহানেসবার্গে বন্দুক হামলায় প্রাণ হারালো ১২ জন, হাসপাতালে আরও ৯ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর সৌদি-তুরস্ককে ঘটনা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চার বিশ্ববিদ্যালয় পেল ৫ প্রো-ভিসি, ৩ জনকে অব্যাহতি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১০, | ১৩:১৮:৫৯ |

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে জাতীয়, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পাঁচজন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রোভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নতুন নিয়োগ পেলেন যারা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (একাডেমিক): বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (প্রশাসন): রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বর্তমানে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।

ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস সিদ্দিকী।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ডিন ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

একই সাথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (একাডেমিক) মোহাম্মাদ শামীম উদ্দিন খান, প্রোভিসি (প্রশাসন) ড. কামাল উদ্দিন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ড. মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হককে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ নিজ মূল পদে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রোভিসিসহ শীর্ষস্থানীয় পদে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সাধারণত চার বছরের জন্য এসব পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই মেয়াদ পূর্ণ করতে পারছেন না।

গত ৭ জুন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক প্রতিবেদনে জানায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের অন্তত ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অব্যাহতির পেছনে কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। সংস্থাটির দাবি, সার্চ কমিটি থাকা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, এমনকি ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিকেও ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার নজির রয়েছে।

টিআইবি আরও জানায়, শীর্ষ পদে এই ঘনঘন প্রশাসনিক পরিবর্তনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রোভিসি, ট্রেজারার, ডিন ও প্রভোস্ট পদায়নেও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠছে। এর ফলে কয়েকটি ক্যাম্পাসে আন্দোলন, সিদ্ধান্তহীনতা এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।

গত ৮ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির এই প্রতিবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি কেবল উল্লেখ করেন, বিএনপি নতুন দায়িত্ব নেওয়া সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা সরকার নিজেই বিবেচনা করবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..