সর্বশেষ :
উড়ন্ত আমেরিকাকে মাটিতে নামাল ইরান, স্যাটেলাইটে মিলল ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৫ লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও চুক্তি নয়: ইরান বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পরই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় তরুণ পাইলটের মৃত্যু ট্রাম্পের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে নতুন নতুন সংকটের সৃষ্টি: বিশ্লেষক বিএনপির সঙ্গে নেগোসিয়েশনের অভিযোগ, যা বললেন তাসনিম জারা স্ত্রীর ভয় উপেক্ষা করে ‘সিরিয়াল কিসার’ হয়েছিলেন ইমরান হাশমি কানাডার সদস্যপদ স্থগিত করল আইসিসি ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১০ জন ভালুকায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ট্রাম্পের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে নতুন নতুন সংকটের সৃষ্টি: বিশ্লেষক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০১, | ১৮:৫৫:১৯ |

ইরান নিয়ে সাম্প্রতিক যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক নীতি বিশ্লেষক নেগার মরতাজাভি। তিনি বলেন, এই ইস্যুতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট- উভয় দলের মধ্যেই বিভাজন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো নেগার মরতাজাভি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের ইরাননীতি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমত তৈরি হয়েছে।

তার ভাষায়, “দুই দলের ভেতরেই বিভাজন রয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেও মধ্যপন্থী ও তুলনামূলকভাবে ডানঘেঁষা অংশ একই সমালোচনা করছে- তারা বলছে ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে, আর যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল অবস্থানে পড়ছে। অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ঘরানার একটি অংশও এই অবস্থানকে সমর্থন করছে।”

মরতাজাভি বলেন, তিনি বলেন, যে রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন, তার জন্য ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এক চরম পরিহাস। 

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রেসিডেন্টই নির্বাচনী প্রচারে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অবিরাম যুদ্ধ’ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন- এই প্রেসিডেন্টও দুইবার তা করেছেন। তিনি এগুলোকে ‘বোকা যুদ্ধ’, ‘অর্থহীন যুদ্ধ’ বলেছিলেন এবং নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি সেই যুদ্ধেই জড়িয়ে পড়লেন।”

মরতাজাভির মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পরিকল্পনাটি ছিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রস্তাব। যুক্তরাষ্ট্রের আগের সব প্রশাসন তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।

তিনি বলেন, “আগের কোনও প্রশাসনই এটি গ্রহণ করেনি, কারণ সবাই বুঝেছিল- এটি সহজ কোনও অভিযান নয়। এটি কাগুজে বাঘ নয়। এখানে পাল্টা আঘাত আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “আর এরপরই দেখা যায়- শান্তির প্রেসিডেন্ট পরিণত হন যুদ্ধের প্রেসিডেন্টে। তিনি এমন এক জটিল পরিস্থিতিতে আটকে পড়েন, যেখানে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, কোনও বাস্তব অর্জন নেই, বরং নতুন নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নিজের দল ও বিরোধী- দুই দিক থেকেই সমালোচনা বাড়ছে।”

বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতাই নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব নীতির মধ্যে বড় ধরনের ফারাককেও সামনে নিয়ে এসেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..