সর্বশেষ :
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ৬ কমিটি প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯১৫ মিলিয়ন ডলার কোন পথে এগোচ্ছে ট্রুডো-কেটি পেরির প্রেম? গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে যেন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি বিকৃত না হয় : তথ্যমন্ত্রী ব্রেট লির মতে, শচীন সেরা ব্যাটার হলেও সর্বকালের সেরা ক্যালিস মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পাঁচ প্যানেল ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হলেও নির্ভার রাবাদা বামপন্থার অবসান, ফিরল ডানপন্থী শাসন: কেন দে লা এসপ্রিয়েলার ওপর বাজি ধরলেন ট্রাম্প? দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়া সফরে যেতে পারেন শি জিনপিং

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২১, | ১০:৫৩:১১ |
আগামী সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়া সফরে যেতে পারেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও উষ্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ সরকারি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে।

দক্ষিণ কোরীয় সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইয়োনহাপ জানায়, খুব শিগগিরই সি চিন পিংয়ের উত্তর কোরিয়া সফরের বিষয়ে তারা গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছে। সরকারের অপর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে বা আগামী মাসের শুরুতে এই সফর হতে পারে। এছাড়া অন্য একটি সূত্রের দাবি, চীনের প্রেসিডেন্ট তাঁর এই সফরে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে পারেন।

উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মিত্র চীন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় দুর্বল হয়ে পড়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বেইজিং। এরই অংশ হিসেবে গত মাসে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী সফর করে দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক চোয়ে সন-হুই এবং সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এই সফরের পরপরই সি চিন পিংয়ের সম্ভাব্য উত্তর কোরিয়া সফরের খবর সামনে এলো। উল্লেখ্য, গত বছর বেইজিং সফরে গিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কুচকাওয়াজে সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন কিম।

এদিকে, গত বুধবার বেইজিংয়ে সি ও পুতিনের মধ্যকার শীর্ষ বৈঠক শেষে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর বিদেশি চাপের তীব্র বিরোধিতা করা হয়। উত্তর কোরিয়ার জন্য নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করে এমন যেকোনো পদক্ষেপ, যেমন একঘরে করে রাখার নীতি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক চাপের বিরুদ্ধে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

অন্যদিকে, নিজের প্রথম মেয়াদে কিম জং-উনের সঙ্গে তিনটি শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির দিকে নজর রেখে আরও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গত সপ্তাহে বেইজিং সফর শেষে ট্রাম্প জানান, চীন সফরের সময়ও তিনি কিমের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং উত্তর কোরীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকার বিষয়টি আবারও উল্লেখ করেন। বেইজিংয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠকেও কোরীয় উপদ্বীপ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..