সর্বশেষ :
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ৬ কমিটি প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, ৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯১৫ মিলিয়ন ডলার কোন পথে এগোচ্ছে ট্রুডো-কেটি পেরির প্রেম? গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে যেন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি বিকৃত না হয় : তথ্যমন্ত্রী ব্রেট লির মতে, শচীন সেরা ব্যাটার হলেও সর্বকালের সেরা ক্যালিস মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় মায়ের ১৫ বছরের কারাদণ্ড সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী একজন, বাদ পাঁচ প্যানেল ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হলেও নির্ভার রাবাদা বামপন্থার অবসান, ফিরল ডানপন্থী শাসন: কেন দে লা এসপ্রিয়েলার ওপর বাজি ধরলেন ট্রাম্প? দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৭, | ০০:৪১:২৩ |

যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে এক ধরনের বিপজ্জনক নেশা। নেশা হিসেবে তারা ঘর বা দোকানে সহজে পাওয়া বিভিন্ন রাসায়নিকের গন্ধ শ্বাসের মাধ্যমে নেয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত এক বছরে ৫ লাখের বেশি কিশোর এই ধরনের নেশা করেছে।

চিকিৎসকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ভিডিও ও ট্রেন্ড এই সমস্যা বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ‘নাইট্রাস অক্সাইড’ বা হাসির গ্যাস এখন অনেকের কাছে বিনোদনের অংশ হয়ে উঠেছে। এটি চিকিৎসায় ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হলেও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক। ২০২৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ এই গ্যাস অপব্যবহার করেছে।

গবেষণাটি ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ৩৩ হাজার ৭০০-এর বেশি কিশোরের তথ্য বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, ২.২ শতাংশ কিশোর গত বছরে এই নেশা করেছে। ০.৭ শতাংশ গত মাসেও ব্যবহার করেছে, আর ০.৩ শতাংশ এতে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, ১২–১৩ বছরের কিশোরদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

এই নেশায় ব্যবহৃত জিনিসগুলোর মধ্যে আছে আঠা, জুতার পালিশ, পেইন্ট থিনার, স্প্রে, পেট্রোল এবং হাসির গ্যাস। এগুলো সহজে পাওয়া যায় বলে অনেকেই মনে করে নিরাপদ, যা আসলে ভুল ধারণা।

স্বল্পমেয়াদে এতে মাথা ঘোরা, জড়ানো কথা, বমিভাব, ভারসাম্য হারানো বা অজ্ঞান হওয়ার মতো সমস্যা হয়। দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ক, স্নায়ু, যকৃত, কিডনি ও হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি একবার ব্যবহারেই ‘হঠাৎ মৃত্যুর’ ঝুঁকিও আছে, যাকে বিশেষজ্ঞরা ‘সাডেন স্নিফিং ডেথ’ বলেন।

বাচ্চাদের পোশাকে রাসায়নিক গন্ধ, তাদের কাছে খালি ক্যান বা কার্টিজ পাওয়া, মাথাব্যথা বা অকারণে ক্লান্তিবোধ করলে অভিভাবকদের সতর্ক হতে হবে।চিকিৎসকদের পরামর্শ, এসব বিষয়ে সন্তানদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা জরুরি। কারণ সচেতনতা ও পারিবারিক যোগাযোগই এই ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সূত্র : সিএনএন

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..