✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

চোখের যেসব লক্ষণ হতে পারে থাইরয়েডের প্রথম সংকেত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০৯, | ১৮:২০:১৫ |
সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখের নিচে ফোলাভাব, লালচে ভাব কিংবা চোখের পাতায় ভারী অনুভূতি দেখলে অনেকেই তা রাত জাগা বা ক্লান্তির ফল ভেবে গুরুত্ব দেন না। তবে চিকিৎসকদের মতে, এমন উপসর্গ কখনো কখনো থাইরয়েড সমস্যার প্রাথমিক সংকেতও হতে পারে।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা জানান, শরীরে অন্য কোনো লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই অনেক সময় থাইরয়েডজনিত সমস্যা চোখে ধরা পড়ে। তাই চোখের এমন পরিবর্তনকে হালকাভাবে না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

গলার ছোট্ট থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদন এবং হৃদস্পন্দনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থির কার্যক্রমে গোলযোগ দেখা দিলে তার প্রভাব চোখেও পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, থাইরয়েড আই ডিজিজ নামের একটি সমস্যায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে চোখের আশপাশের টিস্যুকে আক্রমণ করে। ফলে চোখ ও চোখের পাতায় ফোলাভাব, লালচে ভাব, শুষ্কতা, অতিরিক্ত পানি পড়া বা ভারী অনুভূতি তৈরি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে চোখ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উঁচু বা বের হয়ে এসেছে বলেও মনে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, থাইরয়েডের পরিচিত উপসর্গ যেমন ওজন কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত গরম লাগার আগেই চোখে এসব পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এজন্য অনেকেই শুরুতে সমস্যাটি বুঝতে পারেন না।

যেসব লক্ষণ দীর্ঘদিন দেখা গেলে সতর্ক হওয়া জরুরি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—চোখের পাতা ফুলে থাকা, চোখ লাল হওয়া বা জ্বালাপোড়া, অতিরিক্ত পানি পড়া, আলোতে অস্বস্তি, চোখ পুরোপুরি বন্ধ করতে সমস্যা এবং চোখের আকৃতিতে পরিবর্তন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, এসব উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে ঘরোয়া সমাধানের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সময়মতো শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে জটিলতা কমানো এবং দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখা সহজ হয়।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..