✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

জরিপ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অতিরিক্ত আসক্ত’ জাপানের ৭ শতাংশ কিশোর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৩:৫৫:১৩ |
জাপানের ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরদের প্রায় ৭ শতাংশকে ‘প্যাথলজিক্যাল ব্যবহারকারী’, অর্থাৎ তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই আসক্ত যে, তারা কোনোভাবেই স্ক্রিন টাইম কমাতে পারছে না।  সম্প্রতি জাপানের ন্যাশনাল হসপিটাল অর্গানাইজেশনের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টারের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছ। 

শনিবার (২ মে) এমনটাই জানিয়েছে কিয়োদো নিউজ।

দেশজুড়ে পরিচালিত এই জরিপটি করেছে ন্যাশনাল হসপিটাল অর্গানাইজেশনের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার। এতে আরও দেখা গেছে, এই বয়সি গোষ্ঠীতেই আসক্তির হার সবচেয়ে বেশি।

কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়, শিশুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে অপরাধ প্রবণতা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি সম্পর্ক থাকতে পারে।

জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজ এজেন্সি যখন এ সমস্যা মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করছে, ঠিক তখনই এই জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হলো।

তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষার লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এই জরিপে দেশের ৪০০টি স্থানের ১০ থেকে ৭৯ বছর বয়সি ৯,০০০ জনকে বেছে নেওয়া হয়, যার মধ্যে ৪,৬৫০ জনের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়।

যাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সমস্যা থাকার সন্দেহ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩০ শতাংশ জানিয়েছে, তারা সপ্তাহের কর্মদিবসে প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় অনলাইনে থাকে এবং ৬২ শতাংশ সপ্তাহান্তে একইভাবে সময় ব্যয় করে।

কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন নিজেরাই ‘ভালো উদাহরণ’ স্থাপন করেন। 

পাশাপাশি, শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগেই পরিবারের মধ্যে এর ব্যবহার নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—যেমন কখন ও কোথায় ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে এবং নিয়ম ভঙ্গ করলে কী ধরনের পরিণতি হবে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..