✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বদলে গেছে ঋতুচক্র, গ্রীষ্মকালে আর হবে না হজ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-৩০, | ২০:৫৩:০৬ |

দীর্ঘদিনের তীব্র গরমে হজ পালনের কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকে স্বস্তি মিলছে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য। ২০২৬ সাল থেকে শুরু হওয়া নতুন ঋতুচক্রে পবিত্র হজ আর গ্রীষ্মকালে পড়বে না—যা আগামী আড়াই দশক ধরে হাজিদের জন্য বড় স্বস্তির বার্তা।

সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) জানিয়েছে, ২০২৬ সাল থেকে অন্তত ২৫ বছর পবিত্র হজ গ্রীষ্ম মৌসুমে অনুষ্ঠিত হবে না। সংস্থাটির মুখপাত্র হুসাইন আল-খাতানি বিবৃতির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর থেকেই হজের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী আট বছর হজ অনুষ্ঠিত হবে বসন্তকালে। এরপরের আট বছর পড়বে শীতকালে, আর তার পরবর্তী কয়েক বছর শরতের মনোরম আবহাওয়ায় হজ পালিত হবে। এভাবে চক্রাকারে ঘুরে ২০৫০ সালের দিকে আবার হজ গ্রীষ্মকালে ফিরে আসবে।

এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে হিজরি ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পার্থক্য। চাঁদের হিসাব অনুযায়ী হিজরি ক্যালেন্ডার প্রতি বছর প্রায় ১১ দিন এগিয়ে যায়, ফলে হজের সময়ও প্রতি বছর পিছিয়ে আসে। প্রায় ৩৩ বছরে একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে হজ আবার আগের ঋতুতে ফিরে আসে। এনসিএম ২০৫০ সাল পর্যন্ত একটি দীর্ঘমেয়াদী হজ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—আগামী আড়াই দশক হাজিদের তীব্র গরমে পড়তে হবে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মসজিদ আল-হারাম ও আরাফাত ময়দান এলাকায় তাপমাত্রা ৪৫ থেকে ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছে। এতে করে বিশেষ করে বয়স্ক হাজিদের জন্য হজ হয়ে উঠেছিল কঠিন শারীরিক চ্যালেঞ্জ।

ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর ২৫ থেকে ৩০ মে’র মধ্যে হজ অনুষ্ঠিত হবে, যা বসন্তের তুলনামূলক সহনীয় আবহাওয়ার মধ্যে পড়বে। তবে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এর মানে এই নয় যে মক্কাতে গরম থাকবে না; বরং গ্রীষ্মের চরম তাপমাত্রার তুলনায় তা অনেকটাই সহনীয় থাকবে।

এই পরিবর্তনের ফলে মিনায় অবস্থান, আরাফার দীর্ঘ পথ অতিক্রম এবং মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ হজের আনুষ্ঠানিকতাগুলো পালন করা সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুকূল আবহাওয়া শুধু হাজিদের জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে না, বরং সৌদি কর্তৃপক্ষের জন্য ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও আরও কার্যকর ও সহজ হয়ে উঠবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..