✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার পরিণতি নিয়ে হাদিসে যা এসেছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৮, | ১৮:০৭:৩৮ |
বান্দার আমলেই নির্ধারণ হবে পরকালে তার ঠিকানা জান্নাত নাকি জাহান্নাম। তাই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর ‘পরীক্ষায়’ উত্তীর্ণ হয়ে পরকালে সফল হতে মহান রবের হুকুম যেমন মেনে চলা জরুরি, তেমনি রাসুল (সা.) এর আদর্শ এবং তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ জরুরি।

পবিত্র কুরআনে মহান রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেছেন, ‘জমিনের ওপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোর শোভাবর্ধন করেছি, যাতে আমি মানুষকে পরীক্ষা করতে পারি যে, আমলের ক্ষেত্রে কারা উত্তম।’ (সুরা কাহাফ, আয়াত: ৭)

অপর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে। (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৫)। আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তারা জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানে হবে স্থায়ী।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ৮২)

এজন্য বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের পাশাপাশি উত্তম আমলের পথও বাতলে দিয়েছেন নবীজি (সা.)। এরমধ্যে দু’টি হাদিসে ইসলামে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার ভয়াবহ পরিণতির কথা এসেছে।

এ ক্ষেত্রে হাদিসে প্রতারণাকারীকে ইসলামের দলভুক্ত নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘মান গাচ্ছানা ফালাইসা মিন্না’ (مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا)। অর্থাৎ, যে প্রতারণা করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।

এ বিষয়ে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত পুরো হাদিসটি হলো- একবার রাসুল (সা.) স্তূপীকৃত খাদ্যশস্যের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি স্তূপের মধ্যে হাত ঢুকালেন। ওই সময় তাঁর হাতের আঙ্গুলগুলো আদ্র (ভেজা) দেখতে পান তিনি। পরে নবীজি (সা.) বললেন, হে খাদ্যশস্যের মালিক! এটা কি? ওই ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) এতে বৃষ্টি পড়েছিল। রাসুল (সা,) বললেন- কেন তুমি ভেজা অংশ খাদ্যশস্যের ওপরে রাখনি, যাতে লোকেরা তা দেখতে পায়। যে ব্যক্তি ধোঁকা দেয় সে আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৬)

অন্যদিকে আল্লাহর নাম ব্যবহার করে কারও কাছে ওয়াদা করার পর তা ভঙ্গ করে বিশ্বাসঘাতকতার পরিণামও ভয়াবহ। কারণ, কিয়ামতের দিন খোদ আল্লাহ তা’আলা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন- মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিরোধী থাকব। তাদের মধ্যে একজন হলো, যে আমার নামে প্রতিজ্ঞা (ওয়াদা) করলো, এরপর তা ভঙ্গ করলো। আরেক ব্যক্তি হলো- যে মুক্ত মানুষ বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে। অপর ব্যক্তি হলো, যে কোনো লোককে মজদুর (শ্রমিক) নিয়োগ করলো এবং তার থেকে কাজ পুরাপুরি আদায় করলো অথচ, তার পারিশ্রমিক দিলো না। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১২৬)


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..