✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ভারতের স্মার্টফোন রফতানিতে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০৫, | ১৬:৫৫:১০ |
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাতের উত্তাপ এবার ভারতের উদীয়মান স্মার্টফোন রফতানি খাতে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে দুবাই বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক হাবগুলোর মাধ্যমে হওয়া রফতানি কার্যক্রম ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। টেকআর্কের প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, সংকটের তীব্রতা বাড়লে আগামী সপ্তাহগুলোয় রফতানি ২২-২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।


ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশটি প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার মূল্যের মোবাইল ফোন রফতানি করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য হাবগুলোর ওপর নির্ভরশীল চ্যানেলগুলোয় আগামী কয়েক সপ্তাহে রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে।

বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান টেকআর্কের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ফয়সাল কাওসা জানান, ভারত থেকে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে রফতানি হওয়া প্রতি ১০টি স্মার্টফোনের মধ্যে তিন থেকে চারটিই যায় আমিরাতে। বর্তমানে আকাশপথ ব্যবহারে বিধিনিষেধের কারণে এ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক সংকটে পড়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাপলের মতো বড় বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো শিপমেন্টের রুট পরিবর্তনের সক্ষমতা রাখলেও ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা তা পারছেন না।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের গবেষণা পরিচালক তরুণ পাঠক জানান, মধ্যপ্রাচ্য মূলত আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় পণ্য পাঠানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক হাব। বর্তমান পরিস্থিতিতে লজিস্টিকস খরচ কিছুটা বাড়লেও এবং পণ্য পৌঁছতে বিলম্ব হলেও চাহিদায় এখনো বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমিরাত ছিল ভারতের স্মার্টফোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য, যেখানে প্রায় ৩১০ কোটি ডলারের পণ্য পাঠানো হয়েছে। তবে বড় ব্র্যান্ডগুলো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে আকাশপথে পণ্য পাঠায় বলে তারা আঞ্চলিক এ অস্থিরতার আঁচ থেকে কিছুটা মুক্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..