সর্বশেষ :
কম খরচে নিখুঁত ও প্রাণঘাতী হামলা : ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র কেন হঠাৎ দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ছেন লাখ লাখ প্রবাসী সৌদি আরবে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার ইয়েমেনে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বাড়ছে উদ্বেগ দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ! প্রিমিয়ার লিগে ট্রান্সফার উন্মাদনা, শেষ মুহূর্তে বদলে যেতে পারে সব হিসাব বিশ্বকাপ মাতিয়ে ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বৃদ্ধিতে সবার ওপরে হালান্ড ইংল্যান্ডকে টপকে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরল ভারত দোন্নারুমার বিয়েতে নরওয়ের সেই বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে হালান্ড আর্জেন্টিনায় ট্রায়াল শেষে দেশে ফিরে মারা গেলেন ফুটবলার

লক্ষ্মীপুরে ক্লাস চলাকালে ছাদ ভেঙে পড়ল শিক্ষার্থীদের ওপর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০২, | ২০:৫০:১৮ |
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তরা ও ভিম ভেঙে পড়েছে। এতে ৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠদানের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। 

আহতরা হলেন- ঋতু বণিক, নাদিয়া আক্তার ও সামিয়া আক্তার। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠাদান চলাকালে ছাদের পলেস্তরা ও ভিমের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এসময় বিকট শব্দ হয়। এ ঘটনায় ৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ছাদের পলেস্তরাসহ ভিম ভেঙে পড়ার দৃশ্য ও শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়ির দৃশ্য দেখা যায়। পরে আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভবনটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ঝুঁকি নিয়েই শিক্ষার্থীরা ক্লাস করে আসছে। নিরাপদ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিশ্চিতে দ্রুত ভবন সংস্কার অথবা নতুন ভবনের প্রয়োজন। তা না হলে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে। 

বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মান্নান পাশা বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। আমাদের কয়েকজন ছাত্রী আহত হয়। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বলেন, পাঠদানের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। এ নিয়ে উপজেলা ও জেলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। 

রায়পুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ থাকার বিষয়টি আমাদেরকে অবহিত করা হয়েছিল। ঝুঁকির বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বরাদ্দ না থাকায় কোনো উদ্যোগ নেওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..