সর্বশেষ :
কম খরচে নিখুঁত ও প্রাণঘাতী হামলা : ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র কেন হঠাৎ দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ছেন লাখ লাখ প্রবাসী সৌদি আরবে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার ইয়েমেনে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বাড়ছে উদ্বেগ দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ! প্রিমিয়ার লিগে ট্রান্সফার উন্মাদনা, শেষ মুহূর্তে বদলে যেতে পারে সব হিসাব বিশ্বকাপ মাতিয়ে ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বৃদ্ধিতে সবার ওপরে হালান্ড ইংল্যান্ডকে টপকে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরল ভারত দোন্নারুমার বিয়েতে নরওয়ের সেই বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে হালান্ড আর্জেন্টিনায় ট্রায়াল শেষে দেশে ফিরে মারা গেলেন ফুটবলার

অটোয় চড়ে স্কুলে যেতাম, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছি: বরুণ ধাওয়ান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৯, | ১৬:২৯:৪৭ |
বলিউড তারকাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের কথা সবারই জানা। তার কিছু ঝলক মাঝেমধ্যে সামাজিক মাধ্যমেও পাওয়া যায়। বর্ষীয়ান পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানের ছেলে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে অকপটে ছোটবেলার গল্প বলেছেন। সেখানেই জানান, বাবার সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারায় কীভাবে দিন কাটাতেন তারা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান বলেন, বেশ দারিদ্র্যের মধ্যেই ছোটবেলা কেটেছে তার। তিনি নাকি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন। জনপ্রিয় পরিচালকের ছেলে হয়েও নাকি অটোয় চড়ে স্কুলে যেতেন এ অভিনেতা।

অভিনেতা বলেন, ছোটবেলায় ঐশ্বর্যের তুলনায় অনেক বেশি ভালোবাসা পেয়েছি। কারণ আমাদের পরিবার এখনকার মতো অতটা সচ্ছল ছিল না। আমরা একেবারে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার ছিলাম। কারণ বাবার ক্যারিয়ার সেভাবে সফল হয়নি। 

একটা সময় যখন ডেভিডের একের পর এক সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে বক্স অফিসে, তখন খরচ কমানোর জন্য অটোয় চড়ে স্কুলে যেতেন বরুণ ধাওয়ান। তিনি বলেন, আমাকে মেঝেয় শুতে দিন বা বিছানায়, কিছু যায় আসত না। বাবা তো বাড়িতে থাকতেনই না। রাত-দিন কাজ করতেন।

বরুণ ধাওয়ান বলেন, একসঙ্গে দুটি সিনেমার কাজও করতেন। ‘মা বলতেন— এই যে খাবারটা খাচ্ছ, সেটি বাবা পরিশ্রম করে আনছেন বলে পাচ্ছ।’ এসব কথা প্রায়ই শুনতাম। যদি বাবার কোনো সিনেমা চলত না, তাহলে বলা হতো—বাবার এই সিনেমাটা ভালো ব্যবসা করেনি। এরপর কীভাবে চলবে জানি না। তাই খরচ কমাতে হবে।

১৯৮৪ সালে মহেশ ভাটের ‘সারাংশ’ সিনেমার সম্পাদক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন ডেভিড ধাওয়ান। ১৯৮৯ সালে সঞ্জয় দত্ত ও গোবিন্দকে নিয়ে ‘তাকতওয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে কমেডি ঘরানার সিনেমায় হাত পাকান ডেভিড। ১৯৯৩ সালে ‘আঁখে’ সিনেমার মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসেন তিনি। এরপর গোবিন্দকে নিয়ে একাধিক হিট সিনেমা তৈরি করেন ডেভিড। তার ‘বিবি নাম্বার ১’, ‘শোলা অউর শবনম’, ‘কুলি নাম্বার ১’, ‘রাজা বাবু’, ‘হিরো নাম্বার ১’, ‘পার্টনার’ সিনেমার মতো ছবি এখনো দর্শক পছন্দ করেন। নিজের ক্যারিয়ারে প্রায় ৪৫টি সিনেমা পরিচালনা করেছেন ডেভিড ধাওয়ান।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..