চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে থাইল্যান্ড।
ব্যাংকক ও মস্কোর মধ্যে এই বাণিজ্যিক আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক পুয়াংকেটকেও। সম্প্রতি 'দ্য নেশন' পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, থাইল্যান্ড সরকার ইতোমধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং রাশিয়াও তাদের কাছে তেল বিক্রির বিষয়ে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল মনে করেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। বর্তমানে থাইল্যান্ডের কাছে প্রায় ৯৫ থেকে ১০০ দিনের জ্বালানি তেলের মজুদ থাকলেও চলমান যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহের ক্ষেত্রে এক বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এই ঝুঁকি এড়াতেই রাশিয়ার মতো বড় তেল উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে চুক্তির পথে হাঁটছে দেশটি।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও সাধারণ মানুষের স্বস্তি দিতে সচেষ্ট ব্যাংকক। থাইল্যান্ডের পরিবহণমন্ত্রী পিপাত রাতচাকিতপ্রকাশরণ রয়টার্সকে জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩ বাথ বা ১.০২ ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে সরকার। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে সাধারণ নাগরিকদের ওপর যেন বাড়তি চাপের বোঝা না পড়ে, সেটিই এখন থাইল্যান্ড সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
সূত্র: আলজাজিরা।
এ জাতীয় আরো খবর..