✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৮, | ১৮:২৬:০৩ |কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার সফটওয়্যার প্রকৌশলীদের কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। কিন্তু চাকরির সাক্ষাৎকার ও নিয়োগ পদ্ধতি এখনো সেই পরিবর্তনের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেনি। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের পাশাপাশি নিয়োগদাতারাও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই কোড লিখতে পারে, ভুল ধরতে পারে এবং তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই শুধু কোড লেখার দক্ষতা দিয়ে একজন ভালো প্রকৌশলীকে মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
সাবেক মেটা ও অ্যামাজন প্রকৌশলী স্টেফান মাই বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রকৌশলীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়ায় যেন পারমাণবিক বোমার মতো আঘাত করেছে।
গুগলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তি খাতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী এখন কোড লেখা বা পরিবর্তনের কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছেন। ওপেনএআই, গুগল ও অ্যানথ্রপিকের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দ্রুত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।
তবে চাকরির সাক্ষাৎকারে এখনো পুরোনো ধাঁচের পরীক্ষা চালু রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান পরীক্ষার সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার নিষিদ্ধ করছে। কেউ কেউ প্রার্থীদের কম্পিউটারের পর্দাও পর্যবেক্ষণ করছেন, যেন তারা কোনো সহায়তা না নেন।
প্রযুক্তি খাতের অনেক কর্মী মনে করছেন, এসব পরীক্ষা বাস্তব কাজের সঙ্গে আর মিলছে না। কারণ এখন একজন প্রকৌশলীর কাজ শুধু কোড লেখা নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া, সমস্যা বিশ্লেষণ করা এবং দ্রুত সমাধান বের করা।
এদিকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাইও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অবকাঠামোতে বেশি বিনিয়োগ করছে। ফলে নিয়োগের ধরনও দ্রুত বদলে যাচ্ছে।