ভারত ৯টি ম্যাচ খেললেও টুর্নামেন্ট সেরা সাঞ্জু স্যামসন কয়টি খেলেছেন জানেন? মাত্র ৫টি। গ্রুপপর্বে কেবল নামিবিয়ার বিপক্ষেই সুযোগ পেয়েছিলেন। বসে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও খেলেননি।
তাকে অনেকেই দুর্ভাগা ক্রিকেটার মনে করেন। তার কারণ জাতীয় দলের জার্সিতে কম সুযোগ। ২০১৫ সালে অভিষেক হলেও দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র ৬২টি টি-২০ খেলেছেন। এই স্যামসনই টানা তিন ফিফটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ৯৭ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রান করার পর গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে করেছেন ৮৯। ৫ ম্যাচ খেলেই টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২১ রান করেছেন প্রায় দুশো স্ট্রাইকরেটে। ভারত তাকে সব ম্যাচে কেন খেলাল না? এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন কোচ গৌতম গম্ভীর।
কৌশলগত কারণে স্যামসনকে সব ম্যাচে খেলাননি বলে মন্তব্য করেছেন গম্ভীর। বিরতি পড়লে ফেরার পর ভালো খেলা যায় বলে মনে করেন তিনি। তবে তার কখনও মনে হয়নি যে, স্যামসন অফফর্মে আছেন। গতকাল ফাইনাল শেষে ভারত কোচ বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি বা সূর্যকুমার কখনও মনে করিনি যে সাঞ্জু অফফর্মে আছে। আমরা সব সময়ই মনে করেছি যে নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর তার একটু বিরতি দরকার ছিল। কখনও কখনও নেতৃত্বস্থানীয়দের একটু বিরতি দেওয়া ভালো। কারণ এতে চাপ থেকে দূরে থাকা যায়, মাথা ভালো থাকে এবং ফিরে এসে ভালোভাবে খেলা যায়।’
গম্ভীর বলেন, ‘...আমরা শুধু ভেবেছিলাম সাঞ্জুর মতো দক্ষতাসম্পন্ন কাউকে ওপরে আনা গেলে ১, ২ ও ৩ নম্বরে তিনজন বিস্ফোরক ব্যাটার হবে। এটাই ছিল মূল কারণ। আমি মনে করি না এটা সাহসের বিষয় ছিল; এটা ছিল কৌশলগত সিদ্ধান্ত।... সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা জানতাম ওর মধ্যে কতটা প্রতিভা আছে। নেটে সে যেভাবে ব্যাট করছিল, তাতে কোনো সন্দেহই ছিল না যে সে দলে ফিরে আমাদের জন্য পারফর্ম করবে। আর সে কত ভালোভাবে আমাদের জন্য পারফর্ম করেছে! আমার মনে পড়ে না কেউ দলে ফিরে এসে টানা তিনটি, কিংবা চারটি ম্যাচে এত ধারাবাহিকভাবে রান করেছে।’
এ জাতীয় আরো খবর..