সর্বশেষ :
সেমিফাইনাল বৃষ্টির পেটে গেলে কারা ফাইনালে? বিমান পরিবহন খাত উন্নয়নে ঢাকা-ওয়াশিংটন আলোচনা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের জন্য ঋণ পাবে রপ্তানিমুখী শিল্প অভিনন্দনের বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের আকাশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আধিপত্য চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরান যুদ্ধ কি বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠক ভেস্তে দেবে? ‘অনন্তকাল’ লড়াই করার মতো অস্ত্রের মজুত আমেরিকার কাছে আছে: ট্রাম্প দ্রুতই সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হবে: ইরানি গণমাধ্যম ‘৫০ লাখ কোনো টাকা হলো?’— ক্রিকেটারদের আরও কড়া শাস্তির দাবি আফ্রিদির

ইরান যেসব অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ মোকাবিলা করছে

ইরানের তেহরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স জাদুঘর পরিদর্শন করছেন লোকজন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৩, | ১৫:০৩:২৯ |
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরপরই ইরান দ্রুত পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে রয়েছে একটি বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। এই সংঘাত কি পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ইরান ও এর আঞ্চলিক সহযোগী বাহিনীগুলোর অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নেবে– সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার: প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার রয়েছে ইরানের। কিছুটা পুরোনো প্রযুক্তির হলেও দেশটির হাতে অনেক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল রয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র বহু দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে। 


স্বল্পপাল্লার যত ক্ষেপণাস্ত্র: কাছাকাছি থাকা লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত আঘাত হানার জন্য ইরানের হাতে রয়েছে ১৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ফতেহ ভেরিয়েন্টের ‘জুলফিকার’, ‘কিয়াম-১’ ও ‘শাহাব-১/২’ অন্যতম। 

মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের দেড় থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোই মূলত যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ‘শাহাব-৩’, ‘ইমাদ’, ‘গদর-১’, ‘খোররামশহর’ এবং ‘সেজ্জিল’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েল ছাড়াও কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন: ইরানের হাতে রয়েছে ‘সুমার’, ‘ইয়া-আলি’, ‘কুদস’, ‘পাভেহ’ এবং ‘রাদ’-এর মতো ক্রুজ মিসাইল। আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ‘সুমার’ ক্ষেপণাস্ত্র মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের সস্তা কিন্তু কার্যকর ড্রোন। 

ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’: ইরান বছরের পর বছর ধরে মাটির নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার গড়ে তুলেছে। মাটির নিচের এই বাঙ্কারগুলো ‘মিসাইল সিটি’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখেও মাটির নিচের এই সুরক্ষিত ঘাঁটি থেকে দীর্ঘ সময় ধরে পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে পারবে ইরান।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের হাতে রয়েছে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, নেভাল মাইন ও ড্রোন, যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো সম্ভব। ইরান দাবি করেছে, তাদের হাতে ‘ফাত্তাহ’ সিরিজের হাইপারসনিক মিসাইল রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন।

খবর- আলজাজিরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..