✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মঞ্চে দায়িত্ব দুই দিকেই, মিমি বিতর্কে দেবাদৃতার মন্তব্য

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-৩১, | ১১:৪৮:১৬ |
ছোটপর্দার শিল্পী হোক বা বড়পর্দার, মঞ্চ অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থাপনা দেখে যতটা ঝলমলে বাইরে থেকে মনে হয়, ভেতরে ততটাই অনিশ্চয়তা লুকিয়ে থাকে! আর এই কথাই যেন আবার সামনে এল সাম্প্রতিক একের পর এক ঘটনার পর। বনগাঁর একটি রাতের অনুষ্ঠানে দেরিতে পৌঁছনোকে কেন্দ্র করে টলি অভিনেত্রী 'মিমি চক্রবর্তী'কে (Mimi Chakraborty) যে পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানান স্তরে আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটেই বিষয়টি নিয়েই এবার নিজের মত জানালেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী 'দেবাদৃতা বসু' (Debadrita Basu)

অভিনেত্রী মঞ্চের অভিজ্ঞতা থেকে বাস্তব দিকগুলোকে আলাদা করে তুলে ধরেছেন।

দেবাদৃতার মতে, মঞ্চের অনুষ্ঠান মানেই শুধু শিল্পীর উপস্থিতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সময়, অনুমতি, দর্শকের প্রত্যাশা মিলিয়ে একটা বড় আয়োজন। বিশেষ করে এখন অনেক জায়গায় রাত ১২টার পর অনুষ্ঠান চালানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকে। ফলে একজন শিল্পী দেরি করলে তা শুধু ব্যক্তিগত বিষয় থাকে না, আয়োজক থেকে দর্শক সবাই প্রভাবিত হন।



এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই তিনি সময়মতো পৌঁছনোর চেষ্টা করেন বলে জানান। তবে বিষয়টির আরও একটি দিকও তিনি এড়িয়ে যাননি। শহরের বাইরের অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক সময় দর্শকের উচ্ছ্বাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। কেউ খুব কাছে আসতে চান, কেউ ছবি তুলতে গিয়ে ব্যক্তিগত পরিসর ভেঙে ফেলেন। নিঃসন্দেহে এসব পরিস্থিতি শিল্পীদের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। দেবাদৃতা বলেন, তাঁর সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও, পরিস্থিতি যতটা সম্ভব শান্তভাবে সামলানোর চেষ্টা করেন।

যাতে কাউকে অসম্মানিত না করতে হয় বা অনিচ্ছাকৃত কাউকে আঘাত না করে ফেলেন যেটা ভবিষ্যতে বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। যদিও এই প্রসঙ্গে অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এর আগেও বিভিন্ন শিল্পী মঞ্চে অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। কখনও অযৌক্তিক আবদার, কখনও বিশৃঙ্খল পরিবেশের ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। মিমির সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতাও সেই বড় ছবিরই অংশ বলে মনে করছেন অনেকে।

যেখানে শিল্পী এবং দর্শকের প্রত্যাশার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে, অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা দেবাদৃতার বক্তব্যে একটা স্পষ্ট বার্তা রয়েছে যে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে দায়িত্ব দুই দিকেই। আয়োজকদের উপর দায় চাপিয়ে যেমন শিল্পী দোষ এড়াতে পারেন না, উল্টো দিকেও একই হওয়া দরকার। শিল্পীর যেমন পেশাদারিত্ব দেখানো জরুরি, তেমনই আয়োজক এবং দর্শকদেরও কিছু সীমারেখা মানা দরকার। মঞ্চে যা দেখা যায়, তার আড়ালে অনেক চাপ, হিসাব আর সতর্কতা কাজ করে, এই কথাটাই যেন আবার মনে করিয়ে দিলেন তিনি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..