✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ইলেক্ট্রিক গাড়ির প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে ফল্কসভাগেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-২২, | ১০:৫৯:০০ |

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা জার্মানির ফল্কসভাগেন। গেল বছর কোম্পানিটি ৯০ লাখের বেশি গাড়ি বিক্রি করেছে। তবে ইলেক্ট্রিক গাড়ি খাতে কোম্পানিটি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে৷ সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করেছে ফল্কসভাগেন। কিন্তু এতে ঝুঁকি দেখছেন বিশ্লেষকরা। ডয়চে ভেলে

গাড়িশিল্পের বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষক পেড্রো পাচেকো বলেন, ‘বিশ্বের ব্যাটারি বাজারের অনেকটা চীনের ব্যাটারি নির্মাতাদের দখলে৷ বিশেষ করে গাড়ি শিল্পের ব্যাটারির ক্ষেত্রে কথাটা প্রযোজ্য। ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবসায় সফল হওয়ার সবচেয়ে বড় উপায় দাম কমানো। এবং সেটা নিশ্চিত করতে হবে ব্যাটারির আকার ছোট করে এবং চার্জ থাকার মেয়াদ বাড়িয়ে।

ফল্কসভাগেনের একটি ইলেকট্রিক গাড়ি অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। আইডি.৭ ব্যাটারি একবার চার্জ দেওয়ার পর ৭০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে৷ কিন্তু ইউরোপে এই গাড়ির দাম শুরু হয় ৫৫ হাজার ইউরো থেকে।

চীনা নির্মাতারা শিগগিরই আরও কম দামি গাড়ি নিয়ে ইউরোপের বাজারে ঢুকতে পারে। আর এদিকে, দাম বেশি হওয়ায় চীনের বাজারে ঢুকতে সমস্যায় পড়ছে ফল্কসভাগেন।

প্রযুক্তিখাতেও অনেক নতুন কিছু হচ্ছে: গাড়িগুলো চলন্ত কম্পিউটার হয়ে উঠছে৷ ভবিষ্যৎ হচ্ছে এসডিভি, যার অর্থ ‘সফটওয়্যার ডিফাইন্ড ভেহিক্যাল’৷ এটি গাড়ির ইলেকট্রনিক আর্কিটেকচারের উপর ফোকাস করে।

পাচেকো বলেন, ইদানিং সফটওয়্যারও বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, এবং ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়বে৷ মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টফোনে উত্তরণের সঙ্গে এর তুলনা করা যেতে পারে৷ মোবাইল ফোন খাতের চেয়ে গাড়ি শিল্পখাতে পরিবর্তন আসতে একটু বেশি সময় লাগে।তবে শেষ পর্যন্ত ফলাফলটা একই হবে বলা যায়।

এর অর্থ, কম্বাশন ইঞ্জিন নির্মাতাদের এখন আইটি কোম্পানি হয়ে উঠতে হচ্ছে। সে কারণে ফল্কসভাগেন একটি সফটওয়্যার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠা করেছে- নাম ‘কারিয়াড। এর পেছনে অনেক অর্থ খরচ করা হয়েছে, যদিও এখনও কাজে আসেনি।

গাড়ি শিল্পের সহায়তায় গড়ে ওঠা ইনস্টিটিউটও বিষয়টি এভাবে দেখছে৷ সেন্টার ফর অটোমোটিভ রিসার্চের বেয়াট্রিক্স কাইম বলেন, এটা পরিষ্কার যে ফল্কসভাগেন একটা গাড়ি কোম্পানি, আইটি কোম্পানি নয়। আর এটাই একটা দুর্বলতা। এছাড়া দক্ষ জনশক্তিরও অভাব আছে। তবে ভবিষ্যৎ যে সফটওয়্যার ডিফাইন্ড ভেহিক্যালের, সেটা নিশ্চিত।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..