✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১০, | ১৩:০৫:৫৭ |বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড বলেছেন, এই ম্যাচের সব চাপই ইংল্যান্ডের ওপর। হাস্যরসের সঙ্গেই তিনি সংবাদমাধ্যমকে আহ্বান জানিয়েছেন, থমাস টুখেলের দলকে যতটা সম্ভব চাপের মধ্যে রাখতে।
১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে নরওয়ে। গ্রুপ ‘আই’-এ দ্বিতীয় হয়ে নকআউট পর্বে ওঠার পর আইভরি কোস্ট ও ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে তারা।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড টানা তিনটি পুরুষ বিশ্বকাপেই অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে। তবে ১৯৬৬ সালে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর আর কখনো ফাইনালে উঠতে পারেনি।
সব চাপ কি ইংল্যান্ডের ওপর—এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। এই টুর্নামেন্টে কয়েকটি দল পরিষ্কারভাবে ফেভারিট, ইংল্যান্ড তাদের একটি।”
সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আপনারা সবাই ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপর যতটা সম্ভব চাপ দিন। তাদের সমর্থকদের পরের পর্বে ওঠার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ, এটা ইংল্যান্ড।”
২৫ বছর বয়সী হালান্ড নরওয়ের হয়ে টানা ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছেন। শনিবার মায়ামিতে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা) ) জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবেন তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি হাল্যান্ডের জন্য বিশেষও বটে। লিডসে জন্ম নেওয়া এই ফরোয়ার্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হাল্যান্ড সে সময় ইংলিশ ক্লাব ফুটবলে খেলতেন।
গত বছর টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাল্যান্ড বলেছিলেন, নরওয়ের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ‘শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ’।
কিন্তু চার ম্যাচে তার সাত গোল—যার মধ্যে শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোলও রয়েছে—নরওয়েকে তুলেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।
হাল্যান্ড বলেন, ‘আমি এটা আশা করিনি। সত্যি বলতে, নরওয়েকে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দেখতে পেয়ে আমিও বিস্মিত।’
ব্রাজিলকে হারানোর স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলাটাই আমাদের নরওয়েজিয়ানদের জন্য এক ধরনের পাগলামি ছিল। আর তাদের হারানোর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়া সত্যিই বিশেষ কিছু।’
সূত্র: বিবিসি