সর্বশেষ :
‘ডলিকে ছাড়া পৃথিবী বড্ড অচেনা’, শৈশবের আইডলের প্রয়াণে অশ্রুসিক্ত সুইফট মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ, বাজার থেকে ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ প্রতারণার মামলায় সাজা: আপিলের শর্তে জামিন আবেদন নামঞ্জুর, কারাগারে বিদিশা ওমরাহ পরিচালনায় এজেন্সির নিবন্ধনে ৬ শর্ত দিল সৌদি আরব আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নেপালে নিহত বেড়ে ২২ চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মহাকাশে সূর্যের যাত্রার প্রভাবেই কি পৃথিবীতে এসেছিল বরফযুগ? মাত্র ছয় মাসে দীর্ঘদিনের সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়: চিফ হুইপ ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

প্রতারণার মামলায় সাজা: আপিলের শর্তে জামিন আবেদন নামঞ্জুর, কারাগারে বিদিশা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৬, | ১৯:২৩:২১ |
রাজধানীর গুলশান থানার প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সাজার বিরুদ্ধে আসামির আপিলের শর্তে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২০ মে এ মামলায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। সাজার পাশাপাশি তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।

সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশান-২ নম্বরের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা এ মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাদী মোশাররফ হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে তিনি বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ বাদীর।

মামলায় আরও বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।

বাদীর অভিযোগ, এরপর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। একইসঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার দাবি করলে সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। মামলায় দাবি করা হয়, বিদিশা বাদীকে জানিয়েছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..