সর্বশেষ :
মিতসুবিশির নতুন ‘ইক্লিপস স্পোর্টব্যাক ইভি’ তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার খনি চাই আগামী ৫০ বছরের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান বিবিসির প্রতিবেদন: যেভাবে চলছে আফগানিস্তান মস্তিস্কখেকো অ্যামিবার সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু ষাটোর্ধ্ব প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বন্ধের সিদ্ধান্ত ওমানের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একমত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল আবার কেন বিশ্বজুড়ে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির জয়জয়কার? কয়লা থেকে তেল তৈরি করছে চীন, কীভাবে ৭ গুণ বাড়ল মূল্য? ইরানের নিশানায় ট্রাম্পের ছেলে? ১ কোটি ডলার পুরষ্কার ঘোষণা

ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি আবারও চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৪, | ১৯:৪৪:১৫ |

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

একই সঙ্গে বিদ্যালয় পর্যায়ে ‘মিড-ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচির কার্যকারিতা যাচাইয়ে দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে সরকারপ্রধানকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়।

ওই সময় মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিয়ে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়গুলো উঠে আসে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পাশাপাশি, ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তাদেরও উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যেন পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয় এবং কোনওভাবেই খাদ্যের মান নিয়ে আপস করা যাবে না।

মিড-ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাইয়ের লক্ষ্যে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..