✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২১, | ০২:০০:৩৬ |যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান যৌথ সামরিক মহড়া কাটছাঁটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে বিশেষ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া। মহড়ার আকার কমানো হলেও এর ‘প্ররোচনামূলক’ চরিত্র বদলায়নি বলে দাবি করেছে দেশটি। এর মাধ্যমে কিম জং উন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে খুব শিগগিরই আবার আলোচনা শুরুর যে আশা দেখা দিয়েছিল, তা আপাতত ফিকে হয়ে গেল।
বুধবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন কিম ইয়ো জং ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো মানে হয় না এবং আমাদের এতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মহড়ার সময় ও আকার কমালেও এর আগ্রাসী মনোভাব ঠিকই রয়ে গেছে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার একাধিক সামরিক মহড়া এবং সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন কিম ইয়ো জং। তবে তার বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার স্বভাবসুলভ কঠোর ভাষার ব্যবহার ছিল না। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভাইয়ের সম্পর্ক ‘এখনো চমৎকার’ বলে উল্লেখ করেন। এতে বোঝা যায়, পিয়ংইয়ং হয়তো ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে চায়, কিন্তু আলোচনার টেবিলে ফেরার আগে আরও বড় কোনো ছাড় আশা করছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বর্তমানে কোনো যোগাযোগ আছে কি না—তা অস্বীকার করেছেন কিম ইয়ো জং। অথচ ট্রাম্প সম্প্রতি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছিলেন যে কিম তার আলোচনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন।
এর আগে ট্রাম্প পেন্টাগনকে চলমান ১১ দিনের ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন। তার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ কোরিয়া বেশ অবাক হয়। পরবর্তীতে সিউল ও পেন্টাগন নিশ্চিত করে যে পূর্বপরিকল্পিত ২৭ আগস্টের বদলে শুক্রবারই এই মহড়া শেষ হবে। ট্রাম্পের দাবি, এসব মহড়া শুধু ব্যয়বহুলই নয়, বরং এগুলো উত্তর কোরিয়ার প্রতি একটি ‘অনুপযুক্ত ও বৈরী’ বার্তা দেয়।