বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক অজানা, ভিডিও দেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন হেজেলউড

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৬, | ১৮:৫০:৪৮ |

প্রায় ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে গেছে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্ট। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই দলই। তবে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হেজেলউডের কাছে এই ম্যাচের বড় চ্যালেঞ্জই হলো বাংলাদেশ দল ও ডারউইনের কন্ডিশন, দুটোই অনেকটাই অজানা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে চার শতাধিক ম্যাচ খেলেছেন হেজেলউড। বিশ্বের প্রায় সব বড় দলের বিপক্ষেই খেলেছেন তিনি। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্টের আগে স্বীকার করলেন, প্রতিপক্ষ ও ভেন্যু সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা নেই তার। তাই আপাতত ভিডিও বিশ্লেষণের ওপরই নির্ভর করছেন এই ডানহাতি পেসার।

সাবেক সতীর্থ কেইন রিচার্ডসনের সঙ্গে ‘আনপ্লেয়েবল’ পডকাস্টে হেজেলউড বলেন, “অনেক কিছু অজানা রেখেই খেলতে নামতে হবে। মাঠ, উইকেট, কন্ডিশন সবই নতুন। প্রতিপক্ষ দলও এই পরিবেশে কেমন খেলবে, সেটাও পুরোপুরি জানা নেই। তবে এই অজানার মধ্যেই একটা রোমাঞ্চ আছে।”

তিনি আরও বলেন, “ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যাটারদের সম্পর্কে ধারণা নেওয়া সম্ভব। কিন্তু মাঠে গিয়ে পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে। আমার কাছে এটিই নতুন চ্যালেঞ্জ এবং উপভোগ করার মতো বিষয়।”

ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ড অস্ট্রেলিয়ার কাছেও খুব পরিচিত ভেন্যু নয়। ২০০৪ সালের পর সেখানে আর কোনো টেস্ট আয়োজন হয়নি। এমনকি ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত মাঠটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচও হয়নি। ফলে উইকেটের আচরণ নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।

তবে ডারউইনের সঙ্গে পরিচিত সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার কেইন রিচার্ডসনের ধারণা, এই উইকেট ঐতিহ্যবাহী অস্ট্রেলিয়ান পিচের মতো হবে না।

রিচার্ডসন বলেন, “এটি পার্থ বা গ্যাবার মতো অতিরিক্ত গতি ও বাউন্সের উইকেট হবে বলে মনে হয় না। বরং নিচু বাউন্সের কারণে এটি বাংলাদেশের কন্ডিশনের সঙ্গে কিছুটা মিল থাকতে পারে।”

৭৬ টেস্টে ২৯৫ উইকেট নেওয়া হেজেলউড অবশ্য বিশ্বাস করেন, টেস্ট ক্রিকেটে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র খুবই সহজ।

তার ভাষায়, “টেস্ট ক্রিকেটে নিজের পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ যত এগোয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু পরিবর্তন আনতে হয়। তবে মূল পরিকল্পনা সাধারণত একই থাকে।”

টি-টোয়েন্টির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, “টেস্টে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সময় পাওয়া যায়। কয়েক ওভার বল করার পর পরিকল্পনা বদলানোর সুযোগ থাকে। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সেই সুযোগ নেই। সামান্য ভুল হলেই বল সীমানার বাইরে চলে যায়।”

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..