সর্বশেষ :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন নিহত, বেশিরভাগই বিদেশি ঘরে ঘরে হেলথ স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেই নেইমারের ফিটনেস নিয়ে কী বললেন আনচেলত্তি? চূড়ান্ত হলো বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড সাদিও মানেকে নিয়ে ‘ডার্ক হর্স’ সেনেগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা দুই নায়িকার মাঝে শাহিদ, প্রকাশ্যে ‘ককটেল ২’-এর ঝলক কী কারণে থালাপতিকে প্রশংসায় ভাসালেন রাম চরণ? ‘সবাই হাসিমুখে বের হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিত হওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেত্রী চমক

দুই হাত দূর থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, আলোচনায় চিকিৎসক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৩, | ২৩:২৫:৪৯ |

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর খাবারের চামচে দুই হাত দূর থেকে ফুঁ দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে ফুঁ দিতে দেখা যাওয়া কুমেক হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজকে।

গত ২৫ মে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে রান্নাঘরে গিয়ে নিজেই খাবার পরীক্ষা করেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে তরকারি গরম থাকায় মন্ত্রী চামচে ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করেন। তখন তার পাশে থাকা ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজও দূর থেকে একই চামচে ফুঁ দেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

জানা গেছে, ডা. রিয়াজ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ছাত্রজীবনে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ৩২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। কর্মজীবনের শুরুতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ওএসডি হিসেবে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন শেষে পুনরায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, আমি মন্ত্রীর পাশে ছিলাম। তিনি যে খাবারটি পরীক্ষা করার জন্য নিয়েছিলেন, সেটি অনেক গরম ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রীকে তোষামোদ করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না। আমি শুধু গরম খাবারটি ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, মানুষ বিষয়টিকে যেভাবে দেখেছে, তা আমি আগে ভাবিনি। আমরা পাশাপাশি থাকলে অনেক সময় হঠাৎ করে কিছু কাজ করে ফেলি, কিন্তু সেগুলো এতটা চিন্তা করে করা হয় না। এখন বুঝতে পারছি, এ ধরনের বিষয়েও মানুষ অনেক গুরুত্ব দেয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সচেতন থাকব।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..