✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-৩১, | ২০:২৮:১৩ |ইরান সংঘাতের সময় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান চীনে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়ে থাকতে পারে বলে নতুন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে ঘটনাটির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এপ্রিল মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের আকাশে উড্ডয়নরত এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানটি কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) দিয়ে আঘাত করা হয়। এটি ছিল কয়েক দশকের মধ্যে শত্রুপক্ষের হামলায় কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার বিরল ঘটনা। বিমানটিতে দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, পাইলট বিমান থেকে বেরিয়ে আসার সাত ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার হন। অন্যদিকে বিমানের এক কর্মকর্তা প্রায় দুই দিন জাগরোস পর্বতমালার পাদদেশে লুকিয়ে থাকার পর উদ্ধার হন। এই সফল উদ্ধার অভিযান সম্ভাব্য একটি বড় কৌশলগত সাফল্য ইরানের হাতছাড়া করে দেয়।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান সম্ভবত চীনের তৈরি ওয়াইএলসি-৮বি ধরনের একটি আগাম সতর্কতা রাডার ব্যবহার করেছে। এই রাডার সাধারণত শনাক্ত করা কঠিন এমন স্টেলথ বিমানও শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে এই রাডার বা ক্ষেপণাস্ত্র কখন সরবরাহ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়।
এ ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সংবেদনশীল সময়ে সামনে এলো। একদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে চীনের সহযোগিতা চাইছেন। অন্যদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানও চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে চীনের তিনটি স্যাটেলাইট কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অভিযোগ—তারা ইরানকে সামরিক অভিযানে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করেছে। যদিও চীন এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে সরাসরি অস্ত্র সরবরাহ কমালেও চীন প্রযুক্তি ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য দিয়ে তেহরানকে সহায়তা করছে। আর ইরান নিজস্ব সামরিক সক্ষমতাও বাড়াচ্ছে।