✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৬, | ১৩:৫০:৪০ |ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন চুক্তিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি নিজেই বলেছেন, চুক্তিটি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যেমন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, পারমাণবিক জ্বালানির মজুত ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এখনো আলোচনায় আসেনি ।
যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা হয়নি। তবে বর্তমান সমঝোতা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিও আবার খুলে যেতে পারে। এতে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া বড় জ্বালানি সংকট কমতে পারে।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনা এগিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চুক্তি চূড়ান্ত হলে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ আবার উন্মুক্ত হবে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবহন হয়।
মাত্র ১১ সপ্তাহ আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। কিন্তু এখন তার অবস্থান অনেকটাই বদলে গেছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে এবং তিনি তার প্রতিনিধিদের তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মূলত ইরানের দাবির কাছাকাছি অবস্থানে যেতে বাধ্য হয়েছেন। সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলো পরে আলোচনা করার বিষয়ে তিনি রাজি হয়েছেন। এর বিনিময়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালির অবরোধ শিথিল করতে চাপ দেওয়া হয়েছে।
তবে এখনো অনেক জটিলতা রয়ে গেছে। ইরানের কাছে এখনো বিপুল পরিমাণ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সীমা নিয়েও আলোচনা করতে রাজি হয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় এসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় এই নাজুক আলোচনা ভেঙে পড়তে পারে।
রিপাবলিকান দলের কট্টরপন্থী নেতারাও ট্রাম্পের সমালোচনা করছেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্প চাপের মুখে নরম অবস্থান নিয়েছেন এবং আগের লক্ষ্য থেকে সরে এসেছেন।