✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৪, | ১৭:৪১:২৫ |আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বগুড়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার ছোট-বড় প্রায় শতাধিক হাটে চলছে জমজমাট বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কিনছেন কোরবানির পশু। তবে হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে হাসিলের নামে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি চাঁদা আদায়। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সরকারি নির্ধারিত হারের তোয়াক্কা না করে গরু ও ছাগলপ্রতি অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে জেলার প্রায় সব পশুর হাটে।
জানা যায়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, পশুর হাটে হাসিল আদায়ের হার নির্ধারিত। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী গরু, মহিষ ও বড় পশুর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ এবং ছাগল-ভেড়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে কম হার আদায়ের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে বগুড়ার বিভিন্ন হাটে সেই নির্ধারিত হারকে অনেকটাই অগ্রাহ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের। শনিবার (২৩ মে) বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি গরু বিক্রিতে ক্রেতার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ একটি গরুতেই মোট ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্ধারিত হারের তুলনায় এটি কয়েকশ টাকা বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ছাগলের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। প্রতি ছাগলে ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী মহাস্থান হাটেও দ্বিগুণ হাসিল আদায় করা হচ্ছে। এই হাটে গরুপতি ৮০০টাকা হারে নেওয়ার কথা থাকলে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিল আদায় করা হচ্ছে ১ হাজার ২০০টাকা। আর বিক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ২০০টাকা। ছাগল-ভেড়ার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
এদিকে ঈদ ঘনিয়ে আসায় ক্রেতা-বিক্রেতারা ছুটছেন জেলার বিভিন্ন হাটে। দরদামের মধ্যদিয়ে তারা পছন্দ অনুযায়ী কোরবানরি পশু কিনছেন। ক্রেতারা বলছেন, কোরবানির পশুর দাম একটু বেশি। এছাড়া হাটের ইজারাদাররা দ্বিগুণহারে হাসিল আদায় করছেন।