✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৪, | ১৩:৫০:৪২ |ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি গ্রামে ৭০ বছর বয়সি এক নারীকে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর পল্লবীর একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেফতারের পর হত্যার বিষয়টি জানায় সে। বিভিন্ন সোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার রাতে এক প্রেসব্রিফিং-এ এ তথ্য জানান ঘাটাইল থানার ওসি মোকছেদুর রহমান। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয় সাইফুল। সে ঘটনার সঙ্গে একাই জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। প্রেসব্রিফিং-এ ওসি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর ওই নারী বাড়িতে একাই থাকতেন। বাড়িটি একেবারে নির্জন। এর চারপাশে বড় বড় গাছ। গাছের ডালপালা কাটতে গ্রামের সাইফুলকে ভাড়া করে ওই নারী। গত বছরের ২৩ আগস্ট দুপুরে গাছের ডালপালা কাটতে থাকাবস্থায় সাইফুল দেখতে পায় ওই নারী ঘরে একা। তখন সে গাছ থেকে নেমে ঘরে ঢুকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এরপর জানাজানির ভয়ে তাকে বালিশচাপা দেয়। এ সময় অর্ধমৃত অবস্থায় ওই নারীকে পাশের রান্না ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ফের ধর্ষণ করে। এরপর লাশটি রান্না ঘরে থাকা টিন ও লাকড়ি দিয়ে ঢেকে রাখে। রাত ৩টার দিকে আবার সেই বাড়িতে যায় সাইফুল। পরে আবারো লাশের সঙ্গে যৌন কাজে লিপ্ত হয় সে। এরপর ওই নারীকে টেনে নিয়ে যায় বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝারে। সেখানে থাকা পরিত্যক্ত একটি কূপে লাশটি ফেলে সে চলে যায়। এরপর থেকেই সাইফুল পলাতক ছিল। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ও পুলিশি তৎপরতায় ঘটনার ২ দিন পর কূপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এদিকে সাইফুল পলাতক থাকা অবস্থায় চতুরতা অবলম্বন করতো। বারবার মোবাইলের সিম পালটাতো।
এক সিম দিয়ে একবারের বেশি কথা বলতো না। সোর্সের মাধ্যমে জানা যায়, সাইফুল ঢাকায় হাতিরঝিলের একটি রিকশা গ্যারেজে অবস্থান করছে। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাইফুলকে আদালতে পাঠানো হলে সে ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।